প্রবন্ধ - ২

‘১৯৬০চনর ভাষা আন্দোলন’ -- অসমিয়া উগ্রজাতীয়তবাদের স্বরূপ উন্মোচনে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে নতুন গবেষণা গ্রন্থ 
অধ্যাপক সুশান্ত কর
সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, তিনসুকিয়া
Sushanta%20Kr_edited.jpg

অসমের অগ্রণী সমাজকর্মী ও চিন্তক অধ্যাপক দেবব্রত শর্মা ইতিমধ্যে বহু গ্রন্থের প্রণেতা বা সম্পাদক। একাধিক সাময়িক পত্রিকাও সম্পাদনা করে এসেছেন। নিপীড়িত শ্রেণি-বর্ণ ও জনগোষ্ঠীর জন্যেই তিনি কলম ধরেন। এই সব সবার জানা। যে দুটি বই তাঁকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে, তার একটি অবশ্যই  তাঁর পিএচডি গবেষণা গ্রন্থ ‘অসমীয়া জাতি গঠন প্রক্রিয়া আরু জাতীয় জনগোষ্ঠীগত অনুষ্ঠান সমূহ।’ অন্যটি চার খণ্ডে ‘অসমীয়া জাতীয় অভিধান’। দুটিই অসমে বহু নন্দিত এবং নিন্দিতও। জনপ্রিয় পরিভাষাতে বললে ‘বিতর্কিত’ গ্রন্থ।  অধ্যাপক হীরেন গোঁহাইর তত্ত্বাবধানে করা তাঁর মৌলিক গবেষণা গ্রন্থটি পরাধীন অসমের সমাজ ও রাজনীতি বুঝবার জন্যে আজ অত্যন্ত জরুরি একটি বই। ২০০৬-এ প্রথম সংস্করণ বেরিয়েছিল। ২০১৩ অব্দি এর পাঁচটি সংস্করণ বেরিয়ে যায়। এই গ্রন্থেরই পরবর্তী খণ্ডের প্রথম পর্ব শীঘ্রই বেরোতে যাচ্ছে ‘১৯৬০চনর ভাষা আন্দোলন’ নামে। আপাতত তিন পর্বে কাজটি শেষ করবার ইচ্ছে তাঁর রয়েছে। পরের দুই পর্বে থাকবে ১৯৭২-এর মাধ্যম আন্দোলন, এবং বডো ভাষার রোমান লিপির আন্দোলন। অসমের বহু বাঙালি জানেন না, বড়োদেরও এই অসমে ভাষা আন্দোলনের এক করুণ ইতিহাস রয়েছে।

তাঁর পিএচডি গবেষণা গ্রন্থে তিনি ধরেছিলেন ১৮৭৩ থেকে ১৯৬০ সময় পর্বটিকে। অর্থাৎ যে সময়ে অসমে সরকারি ভাষা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতে অসমিয়া স্বীকৃতি পেল এবং যে সময়ে স্বাধীন অসমে অসমিয়া রাজ্যের সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেল।

অসমিয়া ভাষার স্বীকৃতির আকাঙ্ক্ষা, অসমিয়া জাতির স্বকীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা কীভাবে বর্ণহিন্দু মধ্যবিত্তের নেতৃত্বে অসমিয়া উগ্রজাতীয়তাবাদে পরিণত হলো—এবং স্বাধীনতার আগে থেকেই  কেবল বাঙালি নয়, রাজ্যের তাবৎ জনজাতি সহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীকেও বাস্তবে বিচ্ছিন্ন করল সেই কাহিনিগুলোই তিনি প্রথম গ্রন্থে তথ্য সহকারে তুলে ধরেছিলেন।  ফলে বইটি জনপ্রিয়তা যদি কিছু পেয়েছিল বা পেয়েছে তবে সে উগ্রজাতীয়তবাদী শিবিরের বাইরেই।

তাঁর পরিকল্পনা ছিল ১৯৬০ থেকে ২০১০ এই সময়টিকে নিয়েই দ্বিতীয় খণ্ড  সাজাবেন। কিন্তু কাজে নেমে দেখা গেল---এর পরের কাহিনি কালের ঘটনাক্রমের ঘনঘটা বহু বেশি। শুধু ১৯৬০ থেকে ১৯৭২ সময় পর্বকেই একখণ্ডে তুলে ধরা কঠিন। তাই এই সময় পর্ব নিয়েই তিনটি পর্বের পরিকল্পনা। কিন্তু যেভাবে ভেবেছিলেন এটি হবে তাঁর প্রথম গবেষণা গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড—এই পর্বগুলোরও বিকল্প নাম দিয়েছেন ‘‘অসমীয়া জাতি গঠন প্রক্রিয়া꠩ দ্বিতীয় খণ্ড”। দ্বিতীয় খন্দের প্রথম পর্বটি প্রকাশের জন্যে প্রস্তুত , সম্ভবত অক্টোবর ২০০২-এর বেরুবে। কোভিড কালের সংকট না থাকলে এতোদিনে পাঠকের সামনে এসেই যেত। এর পরে বইটি ইংরাজি বাংলা ভাষাতেও অনুবাদের প্রকাশের পরিকল্পনা লেখকের রয়েছে।

বর্তমান কাজে তাঁর সহযোগী গবেষক হিসেবে রয়েছেন দয়া সাগর কলিতা। বইটি বের করবে, তাঁর নিজেরই প্রকাশনা সংস্থা যোরহাটের একলব্য প্রকাশন ও অসম জাতীয় প্রকাশ। একলব্য প্রকাশনের সঙ্গে বাঙালি পাঠক পরিচিত। দিগন্ত শর্মার একাধিক বই সেখান থেকে বেরিয়েছে। তাঁর মধ্যে দুটি বর্তমান লেখকের অনুবাদে বাংলাতেও বেরিয়ে সারাদেশে সমাদৃত হয়েছে। দয়া সাগর কলিতার সঙ্গেও বাংলার পাঠকের একেবারেই অপরিচয় নেই। বর্তমান লেখকের অনুবাদে তাঁর একটি লেখা অনূদিত হয়ে ইতিমধ্যে ‘নয়াঠাহরে’ প্রকাশিত হয়েছে। শিরোনাম ছিল ‘বাঙালি বিদ্বেষের রাজনীতি: প্রসঙ্গ ১৯৬০-এর রক্তাক্ত সংঘর্ষ’। রচনাটি এই গবেষণা কর্মেরই অংশ ছিল।

আমরা যেহেতু বাঙালি পাঠকদের জন্যে এই কথাগুলো লিখছি, ফলে তাঁরা কেন পড়বেন বইটি খুলে বলা দরকার। বাঙালির পরিভাষাতে ভাষা আন্দোলনের দিনক্ষণ একটি দিনে আটকে আছে। এর পেছনে কারণটি হচ্ছে ১৯শে মে, ১৯৬১। কিন্তু এর পরে তো আন্দোলন বেশি এগোয় নি। কিন্তু শুরুটা হয়েছিল এই ১৯৬০-এই। আর সমগ্র ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাতে ভাষার দাবিতে আন্দোলন পরিণত হয়েছিল বাঙালি বিদ্বেষী সংঘর্ষে। ১৯শে মে-র ইতিহাস নিয়ে বাংলাতে একাধিক বই পত্র লেখা হয়েছে। তাতে শেষ সংযোজন হচ্ছে বাংলাদেশের লেখক গবেষক সুকুমার বিশ্বাসের ‘আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ : ১৯৪৭-১৯৬১’ শেষ বইটিতে সমকালীন ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার সংঘাতময় ঘটনাক্রমের কথাও অনেকটা আছে বটে। কিন্তু সে হচ্ছে বাঙালির চোখে দেখা। তাও অধিকাংশই হয় সরকারি নথি বা বাংলা সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের উপরে নির্ভর করে লেখা। বহু সময় এও হয়েছে যে লেখক বাস্তবের ব্যক্তির সাক্ষ্যকে অস্বীকার করে, কাগজের সংবাদকে বড় করে দেখেছেন। তাছাড়া বাঙালি কোনো লেখকই গোটা ব্রহ্মপুত্রে অন্তত ভ্রমণ করে লিখেছেন বলে আমরা দেখিনি।

তার বিপরীতে অসমিয়াতে ভাষা আন্দোলন কেন্দ্রিক বই পত্র খুবই কম। অসমিয়া সমাজে ‘ভাষা শহিদ দিবস’ বলেও কিছু নেই—এই কথাও মনে রাখা দরকার। অথচ, ১৯৬০-এর ভাষা বিল অসমিয়াকে রাজ্যভাষা করতেই এসেছিল। এবং তার পক্ষে লড়তে গিয়ে অনেকে শহিদও হয়েছিলেন। তবু সেইসব ঘটনাক্রমকে ম্লান করে দিয়েছে আশির দশকের অসম আন্দোলন। ফলে অসম আন্দোলন নিয়ে অসমিয়াতে প্রচুর গবেষণা গ্রন্থাদি মেলে। সেগুলোতে প্রসঙ্গক্রমে এই ষাটের বা বাহাত্তরের কথাগুলো আসে।

অধ্যাপক দেবব্রত শর্মা এবং দয়া সাগর কলিতা অসমিয়া উগ্রজাতীয়তাবাদের স্বরূপ সন্ধানে তাদের অধ্যয়ন অভিযান করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সম্ভবত এই প্রথম অসমিয়া পরম্পরা ভাঙলেন। একখানা বই প্রস্তুত করলেন, যার নামই হচ্ছে ‘১৯৬০চনর ভাষা আন্দোলন’।

বইটির প্রথম অধ্যায়ে তাঁরা উনিশ শতকে অসমিয়া সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পাবার দিনগুলো থেকে অসমিয়া ভাষা সাহিত্যের বিকাশের ইতিহাসের থেকে শুরু করে উগ্রজাতীয়তাবাদের উদ্ভবের কাহিনিও ব্যক্ত করেছেন। ব্রিটিশের চক্রান্তেই অসমে বাংলা চাপানোকে আড়াল কীভাবে করে অসমিয়া জাতীয়তাবাদ, কোন স্বার্থে করে এবং স্বাধীনতার আগেই দশকেই কীভাবে ‘বঙাল খেদার’ শঙ্খধ্বনি বাজানো শুরু হয়েছিল—সেই সব ইতিবৃত্ত লিখেছেন।স্বাধীনতার পরে পরেই যে রক্তাক্ত সংঘাতের সূচনা হয়---তাই দিয়ে অধ্যায় শেষ করেছেন।

দ্বিতীয় অধ্যায়ে রাজ্যপুনর্গঠন আয়োগের অসম ভ্রমণের আগে পরে ধারাবাহিক কিছু সংঘাতে কীভাবে ১৯৬০-র পটভূমি তৈরি করছে, তাই ব্যাখ্যা করেছেন।

তৃতীয় অধ্যায় আবর্তিত হয়েছে অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরীকে ঘিরে। তিনি কীভাবে ভাষার নামে রক্তপাত এবং হিংসাকেও বৈধতা দিচ্ছেন তাঁর বিস্তৃত নথিপত্র সহ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। মনে রাখা ভালো অম্বিকাগিরি রায় চৌধুরী অসমিয়া জাতীয়তাবাদীদের কাছে প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তি।

চতুর্থ অধ্যায়ে ১৯২১ থেকে ৬১ অব্দি জনগণনা কেন্দ্রিক রাজনীতির স্বরূপ তুলে ধরে গবেষক-দ্বয় দেখাতে চেয়েছেন রাজ্যপুনর্গঠন আয়োগ যদি এই পরামর্শ না দিত যে কোনো রাজ্যের ৭০% লোক এক ভাষার হলেই কেবল রাজ্যটিতে একটি মাত্র ভাষা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পাবে তবে অসমে অসমিয়াকে সংখ্যাগুরু করবার কৃত্রিম প্রয়াসটি শুরু হত না, আর সংঘাতগুলো হত না। পঞ্চম অধ্যায়ে সেই সময়ের হিংসাত্মক ঘটনাক্রমগুলো নথিবদ্ধ করেছেন। পরের দুটি অধ্যায়ে রয়েছে বিধান সভার বিভিন্ন অধিবেশনের নথি পত্র, বিভিন্ন দলীয় অবস্থান, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব মৈত্রীর কাহিনি। অষ্টম অধ্যায়ে জুড়েছেন প্রশাসন তথা আমলাতন্ত্রের ভূমিকা। নবম অধ্যায়ে তখনকার বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরের মান পরিমাণ, ক্ষয়ক্ষতির সরকারি বেসরকারি খতিয়ান তুলে ধরেছেন।

অসমিয়া ভাষার দাবিতে আন্দোলন কীভাবে পুরুষতান্ত্রিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। একদিকে অসমিয়া মহিলাদের মেখলা পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। আর মেখলা চাদর না পরবার আছিলাতে অনসমিয়া বিশেষ করে বাঙালি মহিলাদের উপরে খুন ধর্ষণ সহ বিচিত্র অত্যাচার নামিয়ে আনা হয়েছিল তার জন্যে পুরো একটি অধ্যায় আলাদা করে সাজিয়েছেন গবেষক-দ্বয়।

একাদশ অধ্যায়ে হেমাঙ্গ বিশ্বাস ভূপেন হাজরিকার নেতৃত্বে গণনাট্য সংঘের সাংস্কৃতিক অভিযানের ইতিবৃত্ত তুলে ধরেছেন। কিন্তু যে প্রশ্ন এই অব্দি প্রায় কেউ করেন না, করেন কেবল অকুণ্ঠ প্রশংসা—সেই প্রশ্ন দেবব্রত শর্মা ও দয়া সাগর কলিতা করেছেন। সেই সাংস্কৃতিক অভিযানে গণনাট্য মূল রাজনৈতিক প্রশ্নগুলোকে এড়িয়ে গেছিল কেন? কম্যুনিস্ট পার্টি ও গণনাট্যও কি সেদিন পরোক্ষে হলেও উগ্রজাতীয়তাবাদকে দুই উপত্যকাতেই প্রশ্রয় দেয় নি?

ত্রয়োদশ অধ্যায়ে একই প্রশ্ন করেছেন বাঙালি নেতৃত্বকেও ।‘সমালোচনার উর্ধ্বত নহয় বাঙালী নেতৃত্বও’। সেই ‘আন্দোলনে’ ১৫০ জন মারা গেছিলেন। তার ৯০% ই বাঙালি ছিলেন, তার পরেও বাঙালি নেতৃত্বের পরিপূরক ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ জাতীয়তাবাদকে তো সমালোচনার ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না। কেন? তারই ব্যাখ্যা করেছেন।

তার মানে এই নয় যে ১৯৬১র ১৯শে মে যে ১১জন বাংলা ভাষার দাবিতে শিলচরে শহিদ হয়েছেন তাঁদের ন্যায্যতাকে অস্বীকার করেছেন, বস্তুত সেই আন্দোলনকেও অধ্যায়গুলোর ফাঁকে ফাঁকে ধরেছেন। এবং একটি অধ্যায় কেবল এই শহিদদের জন্যেই নিবেদন করেছেন। কিন্তু সেখানে অসমিয়া ভাষার দাবিতে মৃতদের কথাও আছে। আছে অসমিয়া মধ্যবিত্ত সমাজের দ্বারা তাঁদের উপেক্ষিত অবহেলিত হবারও করুণ কাহিনি। সেই কাহিনিতে ১৯ জুনের হাইলাকান্দির মৃতদের কথাও বাদ যায় নি। বাঙালি সমাজ তো দূরেই থাক, অসমিয়া সমাজও তাঁদের ন্যূনতম মর্যাদা দিল না কেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন। উগ্রজাতীয়তাবাদের স্বরূপ উন্মোচনে যা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এখানে মনে করিয়ে দেওয়া ভালো, সঙ্গের প্রচ্ছদেই দেখবেন, অন্যদের সঙ্গে কমলা ভট্টাচার্যের ছবিও শোভা পাচ্ছে।

শেষ অধ্যায়ে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন অসম সাহিত্য সভাকে। শিরোনাম হচ্ছে ‘ ভাষার রাজনীতি, রাজনীতির ভাষা ꠩ ভাষার রাজনীতিরে অসম ভঙাত অসম সাহিত্য সভার ধ্বংসাত্মক ভূমিকা’। ষাটের ভাষা আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা তথা নেতৃত্বদায়ী সংগঠন ছিল অসম সাহিত্য সভার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সভা অসমকে কোন দিকে সেদিন ঠেলে দিয়েছিল, এর পরিণতি আজ কী দাঁড়িয়েছে সেই প্রশ্ন না তুলে তো এই কাজ পূর্ণ হতে পারে না। পরিশিষ্টে প্রচুর নথিপত্র এরা জুড়ে দিয়েছেন, যা ভবিষ্যতের যেকোনো গবেষকের কাজে আসবে। প্রায় পাঁচ শতাধিক পৃষ্ঠার এই মহৎ গ্রন্থ ভাষা নির্বিশেষে পাঠকের কাছে সমাদৃত হবে বলেই আমরা আশা করছি।

আমরা দেবব্রত শর্মার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তিনি জানিয়ে রেখেছেন,  ৬০-এর ভাষা আন্দোলন নিয়ে কাজ করতে গিয়েই পরের আন্দোলনগুলোর বহু নথিপত্র তাঁদের হাতে এসেছেই। সেগুলো নিয়ে সিরিজের তৃতীয় গ্রন্থও হয়তো আগামী বছরেই প্রকাশ পাবে। কিন্তু অসম আন্দোলনকে কি বাদ দেওয়া যাবে? সম্ভবত এর পরেই সেই কাজেও হাত দেবেন। ইতিমধ্যে দিগন্ত শর্মা সেই লক্ষ্যেও কিছু কাজ এগিয়ে রেখেইছেন। বেশ কিছু চটি বই বেরিয়েছেও। সেই নিয়ে ভাবনা আছে, পরিকল্পনা করা হয়ে উঠেনি, এই যা।

Debabrata Sharma Cover.jpg