কৃষ্টি ও সংস্কৃতি

ভাষা লইয়া ভাসা ভাসি

 

অতনু নাথ
০১ আগস্ট ২০২১

 

এই লেখাটি কিছুদিন আগে লেখক সিলেটী উপভাষায় লেখালেখি ও শ্রীহট্টের সংস্কৃতি চর্চার জন্য তৈরি ফেসবুক গ্রুপ

সর্বভারতীয় সিলেটী ফোরাম এর  blog এর জন্য লিখেছিলেন নিজের একটি সিরিজের অংশ হিসেবে।

আমরা বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতার জন্য লেখাটি এখানে আবার প্রকাশ করলাম।

লেখাটি লেখা হয়েছে সিলেটী উপভাষায়।

লেখক বর্তমানে IIT Guwahatiর Research Associate এবং

আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন গবেষণাগারের সঙ্গে যুক্ত একজন স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক...

Atanu Nath_edited.jpg

আমি প্রথমেউ অনুরুধ করমু যে আমার ঔ পোস্ট পড়ার আগে, আপনে নিজর জাতি, ধর্ম, ভাষা, আবেগ, ইতা একটু সাইডে হবায়দি হারাইয়া থইয়া নিরপেক্ষ ভাবে পড়বা। পড়ার পরে আবার যেতা হারাইয়া থৈছোইন, ইতা লৈলাইন যেনো, ইতা ছাড়া আমরার সংসারও থাকা কঠিন। আপাতত শুধু যুক্তিরে লগে লইয়া পড়ইন, ভুলিজাইন যে আপনার কুনো প্রিয় ভাষা/জাতি/ধর্ম ইত্যাদি আছে।

আইযাই মূল মাতো…

ই ফোরামও এক গুরুজনর সংস্কৃত লইয়া পোস্ট দেকিয়া বালা লাগলো, ভাবলাম আমিও আমার ই সংক্রান্ত মতামত দি দেই। কমেন্ট করছি, কিন্তু কমেন্ট ইতা সবে দেখতে পাইন না বা প্রায়উ আমরা নিজে কমেন্ট মারিয়াউ হওয়া, অন্যের কমেন্ট পড়িনা। হদিন জেলা আরেক দাদায় আমার "অন্ধবিশ্বাস না যুক্তি" পোস্ট ও ওতো তথ্য সমৃদ্ধ যুক্তিবাদী কমেন্ট লেখছইন বহুত সময় লইয়া আদরে, বহুত কিচ্ছু শিখতে পাইয়া তানে অনুরুধ করছলাম যে ওলা একটা ট্রেন্ড চালু করার লাগি যে পোস্ট ও লম্বা কমেন্ট দিতে চাইলে কমেন্ট না দিয়া বরং হউ পোস্ট এবং পোস্ট দাতা রে রেফার করিয়া একটা আলোচনা মূলক পোস্ট দেওয়া। আমরা যেহেতু সবউ matured, তে ইতা গঠন মূলক বা শিক্ষা মূলক বালা খারাপে মিলাইল তর্কে কেউ খারাপ পাইতামনা, বরং খুব পসিটিভ ভাবে নিমু। আমার কথা বা যুক্তিত যুক্তি দিয়া ভুল দেখাইদিলে আমি মাথা পাতিয়া শুধু নিতামউ না বরং, ইতা তাকিয়ে তথ্য তুকাইয়া লইয়া মনো রাখমু আর জীবনও কামো লাগাইমু। তে আসল পোস্ট ও আই, লেখছইন

"খ্রিস্টানরা ইংরেজি জানে, এর লাগি বাইবেল পড়তো পারে।
মুসলিমরা উর্দু জানে, এর লাগি কোরআন শরীফ পড়তো পারে।…
হিন্দুরা সংস্কৃত জানেনা"

ই বেপারে আমার সীমিত জ্ঞান দিয়া ওটাউ কইতে চাই যে "বাইবেল" কিন্তু ইংলিশে লেখা অইছিল না, যে কালো লেখা অইছলো তখন ইংলিশ আছলউ না! বাইবেল অরিজিনালি লেখা ওয় "আরামাইক ভাষায়", যেটা "সেমিটিক" ভাষা গুষ্ঠিত পড়ে, মানে ঔ হিব্রু, আরবি, ওতা ভাষার বইন ভাষা আরকি। ফার্সি নায়, ফার্সি আমরার হিন্দি, বাংলা, সংস্কৃত, এরার বইন, মানে ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষা গুষ্টির সদস্য ফার্সি, ইরানোর ভাষা ফার্সি আর ইরান তো সবোউ প্রায় মুসলমান দেকিয়া মাইনসে বাবইন ফার্সি কিবা আরবির লাখান ভাষা ! না আরবির ধারা কাছর নায়, সংস্কৃতর কাছর বরং, আমি আমার এক পোস্ট "অক্ষর ব্রহ্ম"ত ইতা লইয়া কিছু আলুচনা করছি, যারা আগ্রহী তারা পড়িয়া দেখতে পরইন। তে কইতে চাইয়ার যে মেজরিটি খ্রীষ্টান যারা ইউরোপ, আমেরিকা বাসি, তারাও বাইবেলের হউ ইংলিশ অনুবাদোউ পরইন! নেক্সট আই "মুসলিমরা উর্দু জানে", এতেও মুসলিমরার বিশেষ লাভ ওর না, কারণ “কোরান শরীফ” লেখা অইছে প্রাচীন আরবি ভাষায়, উর্দু দি বিশেষ লাভ নাই কারণ “উর্দু” হিন্দির ওউ আরেক রূপ, জেলা “অক্ষর ব্রহ্ম” পোস্ট ও কৈছি যে তফাৎ খালি “হরফও” বা লিপিত! আর অইলো তারা কিছু বেশি আরবি আর ফার্সি স্বব্দ নিছইন, হিন্দিত থুড়া কম নেওয়া অইছে। যদিও, বাংলা হিন্দিত ও কম ফার্সি শব্দ ঢুকছেনা, যেমন পর্দা, বালিশ, তুষক, ওলা বেজান ইতা ফার্সি তাকি আইয়া হামাইছে। কেউ কেউ বাবইন “না না চেয়ার ইংলিশ তাকি আইছে, ইতা বেবহার করতামনা, কেদারা কইমু” তারা জানলে দুঃখিত ওইবা যে কেদারা ও আইছে পর্তুগিজ তাকি, যাইবা কই? ভাষা ওলাউ, শব্দ ওবায় হবায় বাউটামি করিয়া বেড়াইন। তে দাড়াইলো যে মুসলিম রা ও হউ বেশীর ভাগে অনুবাদোউ পড়ইন! মাদ্রাসাত অবশ্য আরবি হিকানি ওয়, সুতরাং যারা মাদ্রাসাত পড়ছইন বা পরে আরবি লইয়া পড়াশুনা করছিন তারার কথা আলাদা, তবুও প্রাচীন আরবী আর আইজকুর আরবীত বেজান তফাৎ। "হিন্দুরা সংস্কৃত জানেনা" কথা ঠিক, জানলে হয়তবা বেদ পুরাণ অরিজিনাল ফর্ম এ পরিলাইলামনে আমরা সবে, কিন্তু ঠিকউ নি? প্রথমত, ঋগ্বেদ যে সংস্কৃতে লেখা আর পরর দিকর, “পাণিনির অস্টাধ্যায়ী” স্ট্রাকচার্ড যে সংস্কৃত, তাতে বিস্তর তফাৎ! ঋগ্বেদর সংস্কৃত আর প্রাচীন ফার্সি ভাষা যারে “আভেস্তান ভাষা” কোয়া ওয়, মানে জরাস্ট্রিয়ান বা পার্সি ধর্ম’র পবিত্র গ্রন্থ যে ভাষায় লেখা, এরা বইনাইন, ইতা ভাষা বুঝনেওয়ালা এখন জগতও হাতও গনা যাইবো ওলা কয়জনৌ এক্সপার্টস আছৈন। তার উপরে সমস্যা অইলো, প্রাচীন ঋগ্বেদীক সংস্কৃতও একটা শব্দর যে কত মানে ওইতো পারে ইতা তো আপনারা যারা হিমাদ্রিদা’র প্রায় দুই মাস আগর সংস্কৃত লইয়া পোস্ট পড়িয়া থাকলে জানোইন ঔ। মানে একটা কথার মানে উদ্ধার করতে গেলে খালি শব্দর অর্থ জানলেউ অইতনা, কুন্ সময়, কেনে, কারে, কে কইছলো, ইতা না দেখলে

"কেশবং পতিতং দৃষ্ট্বা দ্রোণো হর্ষমুপাগতঃ"

পড়িয়া “কৃষ্ণ পড়ছইন দেকিয়া দ্রুণাচার্যর কি ফুর্তি” ভাবাটাউ স্বাভাবিক। এর উপরে সমস্যা অইলো যে শ্লোকাদি থাকতো “সূত্র” ফরমেটে, যেতা এক ধাধা বা cryptic code কৈলেউ চলে! বুজরাউ, পেপার চেপার নাই, হক্কলতা লিমিটেড মুন্ডি’স্ক ও রাখতে স্টোরড শিষ্যরা, সুতরাং বিরাট জটিল সব কন্সেপ্টস আটাইয়া আনিয়া এক সুত্রত লেখা ঐতো, ইতা বেদজ্ঞ বিরাট পন্ডিত আর বিরাট বুদ্ধিজীবী না অইলে সঠিক অর্থ উদ্ধার করা অসম্ভব, সুতরাং আপনে আমি সংস্কৃত হিকিয়া বেদ পড়িয়া বুজিলাইমু, ইতা কস্মিন কালে সম্ভব না! আপনে পারলে পারবা, আমার লিমিটেড বুদ্ধি দিয়া, আমি অনেস্টলী কইমু, আমার দ্বারা সম্ভব না ! এর লাগি আমরা যারা আড়ুয়া তারা নির্ভর করি জ্ঞানী গুণীজনর “ভাষ্য”র উপরে। যেমন আদি শঙ্করাচার্যর “ব্রহ্ম সূত্র ভাষ্য”, আরে ইগুও এমন কঠিন যে স্বামী বিবেকানন্দর সিম্পল বাংলা বা ইংলিশে দেওয়া বিশ্লেষণ, অনুবাদ ওতার উপরেউ আমরার নির্ভর করতে লাগে, অদ্বইত বাদ এমনেউ স্বগুণ মূর্তি পূজারীরার লাগিয়া একটু বেশিওউ উদ্ভট আইডিয়া। যেতাউ অউক, মূল মাত অইলো, যেহেতু আদি শঙ্করাচার্য টাইপ বিরাট ব্রহ্মজ্ঞ পন্ডিত ছাড়া এমনেউ ডাইরেক্ট বেদ বুঝা সম্ভব না সংস্কৃত জানা থাকলেও, হউ তারার ভাষ্য’র উপরে নির্ভর করতা, তে আর বাংলায় ভাষ্য পড়লেও যেতা আর সংস্কৃতও অতাউ, আমার মতে নিজরে ওতো খারাপ পাওয়ার কারণ বিশেষ নাই। যেহেতু, বুদ্ধ দেব আর গুরু নানকর ধর্ম বাক্কা নতুন, আর তারা লোকেল প্রচলিত সাধারণ মানুষর ভাষারে ঔ (পালি/প্রকৃত, পাঞ্জাবি) নিজের শিক্ষার মাধ্যম ধরিয়া নিছলা, তারার ক্ষেত্রে কেইসটা বাক্কা বালা আর সহজ।যদিও আমি নিজেও সংস্কৃতের বিরাট ভক্ত, জানি বিশেষ কুন্তাউ না, তেবু নির্মলেন্দু বাবুর

"সংস্কৃত বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষা, সব ভাষার জননী স্বরূপা"

ই কথা মানতে পারলামনা। নিজরে মা রে “সাবজেক্টিভ” ভাবে “সর্বশ্রেষ্ঠ” অবশ্যউ কইমু, যেমন আমার কাছে আমার মা মিশরর ক্লিওপেট্রা তাকিয়াও বেশী সুন্দরী, কিন্তু “অবজেক্টিভ” ভাবে আমার মানাউ লাগবো যে ইটা সবর লাগিয়া বা সবর কাছে সত্য নায় ! ঠিক ওলাউ, “সংস্কৃত বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষা”, মানিয়ার না, তাছাড়া সংস্কৃত কেনে, কুনো ভাসারেউ শ্রেষ্ট ভাষা কৈলে মানতাম না, ইলা কুনো প্রতিজুগিতার যথেষ্ট যুক্তিশীল মাপ কাঠিঔ নাই! ভুট করলে, আরব রা কইবা আরবি বেস্ট, চাইনিজ রা কৈবা চাইনিজ… হেসে যার জনসংখ্যা বেশী তারাউ জিতবা, কিন্তু অর্থহীন! শ্রেষ্ঠত্ব লইয়া ওতালাগি মাতাত আর জাইয়ার ঔ না, আইজাই পরবর্তী “সব ভাষার জননী স্বরূপা”, ইটা কিন্তু সত্য নায়, সংস্কৃত বা প্রকৃত শুধু উত্তর ভারতীয় (উত্তর পূর্ব/পশ্ছিম লইয়া) মেজরিটি ভাষা গুষ্ঠির মা, কিন্তু উদাহরণ স্বরূপ, তামিল’র লগে সংস্কৃতের কুনো সম্পর্ক নাই। বহুতে কৈবা, “কিতা কইন, তারার কত শব্দ সংস্কৃত, যেমন জাগার নাম প্রশান্তিনিলয়ম, তারার সব জাগার নামর হেসে পুরম ইত্যাদি…”, তারারে জিগাই, “ঔ যে পর্দা, বালিশ, তুষক…” ইত্যাদি ফার্সি শব্দ, তে বাংলার মা ফার্সি নি? নিশ্চই না! ঔ “ড়, ড, ট” ইতা ধ্বনি তো বরং তামিল দ্রাবিড়িও (মানে প্রাচীন তামিল ঔ) ভাষা তাকি উল্টা সংস্কৃতও ডুকছে, কারণ ইতা ধ্বনির অস্তিত্ব ভারতর বাইরর কুনো অন্য ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাত নাই, যুক্তি লাগাইন, কুনো খানও আর নাই, অনও আছে তামিল, তামিল আছে ওতা ধ্বনি বেশী, বুজাউ যার কেইস কিতা! সাংস্কৃতিক বা ব্যবসায়িক আদান প্রদান ইত্যাদির কারণে এক এক ভাষার মানুষ আরোক ভাষার মাইসোর লগে মিলইন, শব্দ আদান প্রদান ওয়, ওতা লাগিয়াউ, শব্দ রাশী কুন ভাষা কুন ভাষার জননী বা নন্দিনী, বালা মাপকাঠি নায়! ব্যাকরণর নিয়মাবলীর মধ্যে মিল বা বিবর্তন তাকি ভাষা তত্ববিদ রা বহু বিশ্লেষণের পরে স্থির করতে পরইনা ভাষায় ভাষায় সম্পর্ক! তামিল আর সংস্কৃতের ব্যাকরণে কুনো মিল নাই, এর লাগি তামিল একটা যারে কয় ইউনিক ভাষা, বহুতর মানতে কষ্ট অইবো, কিন্তু তামিল খুব সম্ভবত সংস্কৃত তাকিয়ে বহুত বহুত পুরাণ ভাষা! আমরা বহুতে মিল পাই যেমন:

———————————————————————–
সংস্কৃত – ইতালিয়ান – ইংলিশ – ফার্সি
———————————————————————–
মাতা – মাদ্রে – মাদ’র – মাদার
পিতা – পাদ্রে – ফাদ’র – পেদর
ভ্রাতা – ফ্রাতেল্লো – ব্রাদ’র – বিরাদর
পদ – পিয়েদে – ফুট – পা


———————————————————————–

আরো হাজার হাজার, আর ভাবিলাই, "এহ, ইতা তো পুরা সংস্কৃত তাকি লৈলাইছইন…সংস্কৃত হকলর মা", ভুল কনক্লুশন! ইতা মিলে অতাউ বুজার যে গভীর একটা সম্পর্ক তো আছে এরার মধ্যে, তবে কে যে কার মা ইতা কোয়া দায়! আমি-আপনারা খালি নায়, ইতালিয়ান রা কৈবা, “এহ, ইতা তো পুরা লেটিন তাকি লৈলাইছইন…লেটিন হকলর মা” … ওতা লাগি অনো নিরপেক্ষ প্রমান ভিত্তিক গবেষণা দরকার, আর ঐছেও, যার তাকি দেখা যার যে, সব ইউরোপীয়, ভারতীয়, মধ্য এশিয়ার ভাষার মানুষর পূর্বপুরুষ এবং পূর্বনারীরা, একসময় এক জাগাত অচলা, আর তারা এক কমন ভাষায় স্বাভাবিক ভাবেউ মাত্তা, ওউ যে আদি ভাষা, ই ভাষার নামকরণ ওয় “প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপিয়ান”, মানে ঔ ভাষা তাকি সংস্কৃত, আভেস্তান, লেটিন, জার্মান, গ্রিক, এরা হক্কলর জন্ম, আগে পিছে করি…. সংস্কৃত আর আদি ফার্সি বা আভেস্তান অবশ্যউ এরার সবর মধ্যে খুব প্রাচীন, কিন্তু মা নায়, খুব পুন্না বড়ো বইন আরকি।

একখান ছবি দিলাম যেটা দেখিয়া চাই রইতে ইচ্ছা করে মুগ্ধ অইয়া, আশা করি আপনারারও আরাম লাগব। ইখানো ডালোর সাইজে বুজার ই ভাষা কতজন মাইনসোর মাতৃ ভাষা আর কুন্ খানও ডাল, কার দারো, ওটায় বুঝার কুন্ ভাষার কত কাছে ই ভাষা। ছবিখানোর উপরেদি, একবারে ডাইন কুনাত, যেনো “Assamese” আছে, তার ঠিক ডাইনে দেখইন লেখা আমরার মা’র নাম, ভাষা তত্ববিদ রা কিন্তু সিলেটি রে বাংলার মতোউ একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভাষার সম্মান দেইন, লোকেল আতেল বিজ্ঞ রা দেইন না ঔ ডরে যে খিজানি রবীন্দ্রনাথ নি আতছাড়া ওইন! হায়রে ঔ ডরে আবার বহুতে বাচ্যিন্তরে সিলেটি হিকাইন না, ইগু বুলে কাচা ভাষা, বা “খুব raw শুনতে”, হে হে, ইলা অইলে তো জার্মান রার তারার বাচ্যিন্তরে ফ্রেঞ্চ হিকানি শুরু করউক্কা, জার্মান ওলা ঘেত ঘুত করি “raw” হুনতে, ভাষা ভাই ভাষা, ইনো “মিষ্টি/কাচা/পাকনা/টেঙ্গা/raw” ইতা কিতা থুবলা যুক্তি?

“মাতইন সিলেটি, বাচোউক সিলেটি”

Minna Sundberg’র আকা language tree

hih9eis2zpo1nlc6zub2nvaxpkpvhy9g13a4ueu9.jpeg