বহমান বর্তমান / Current Affairs

লিখছেন অরবিন্দ রায় ... 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

এই পক্ষের বিশেষ কলাম :

করোনাকালে অক্সিজেনের সিলিন্ডার যেন ‘সোনার হরিণ’ 

সম্প্রতি দেশে অক্সিজেন সিলিন্ডারের রঅভাবের খবর চাউর হওয়ার  সাথে সাথে  সাধারণ মানুষ থেকে ‘ক্যাচ’ ক্রেতা— সকলেই ঘুরপথে অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত করতে চাইছেন। মেডিক্যাল অক্সিজেন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত সংস্থা, ডিলারদের একাংশের বক্তব্য, এই প্রবণতায় রাশ না টানলে আগামি দিনে জোগানে সমস্যা হতে পারে।


প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একাংশও অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য বিক্রেতাদের কাছে প্রায়শই আবদার করছেন বলে খবর। তাঁরাই হলেন অক্সিজেন সিলিন্ডার বিক্রেতাদের পরিভাষায় ‘ক্যাচ ক্রেতা’! বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্র সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ১০.২ লিটারের অক্সিজেন সিলিন্ডারের। এ ধরনের সিলিন্ডারে ১.৫৩ কিউবিক মিটার মেডিক্যাল অক্সিজেন থাকে। একটি অক্সিজেন সিলিন্ডারের সাথে ট্রলি, ফ্লো মিটার, ক্যানোলা ও মাস্ক দেয়া হয়৷ সাধারণত বাড়িতে ব্যবহারের জন্য একটি সিলিন্ডারে এক হাজার ৪০০ লিটারের (১ দশমিক ৪ কিউবিক মিটার) অক্সিজেন থাকে৷ ব্যবহার করা যায় এক হাজার ২০০ মিনিট৷দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকেই অনেকে নানা ধরণের ওষুধ সেইসঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিমিটার, নেবুলাইজার এমনকি ভেন্টিলেটরের মতো যন্ত্রপাতি কিনে মজুদ করতে শুরু করেছেন।

 

কোভিড-১৯ এ ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ফুসফুস জটিলতাতেই বেশির ভাগ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ ফুসফুসের এই অবস্থা হলে রক্তে অক্সিজেন পৌঁছাতে বাধা পাবে৷ ফুসফুস আড়ষ্ট হয়ে পড়বে এবং  শ্বাসপ্রশ্বাস ছোট ও দ্রুত গতির হবে৷করোনায় আক্রান্ত রোগীর শরীরের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া। যার ফলে শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। খুব সহজে অক্সিজেনের মাত্রা দেখা যায় অক্সিমিটারের সাহায্যে।  এই যন্ত্রটি আঙুলের ডগায় লাগালেই পরীক্ষা সম্ভব এটি দিয়ে হার্টবিটও মাপা যায়।  হাঁপানি, ক্রনিক ব্রংকাইটিস, আইএলডি ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদী রোগে ভুগছেন যাঁরা, তাঁদের শ্বাসতন্ত্র নাজুক থাকে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে তাই তাঁদের জটিলতার আশঙ্কা বেশি। এ ধরনের রোগীর তীব্র নিউমোনিয়াই শুধু নয়, অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিন্ড্রোমও (এআরডিএস) হতে পারে। এআরডিএসে ফুসফুসের টিস্যু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না।

 

শ্বাসকষ্টের রোগীদের এমনিতেই মাঝেমধ্যে শ্বাসকষ্ট হয়। করোনা মহামারির এই সময় এ সমস্যার সঙ্গে যোগ হয়েছে উদ্বেগ। কারণ, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে প্রাথমিক পর্যায়ে বোঝা কঠিন যে কী কারণে শ্বাসকষ্ট শুরু হলো, করোনার সংক্রমণ, নাকি শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগ। কাজেই এ সময় শ্বাসকষ্টের রোগীদের কিছু বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০ শতাংশের নীচে চলে গেলে হৃৎপিন্ড, যকৃৎ, কিডনি ইত্যাদি বিকল হতে পারে। আবার কিছু কারণে ‘সাইলেন্ট হাইপক্সিয়া’র সমস্যা হয়। অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তির শরীরে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কম হচ্ছে, কিন্তু শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা না দেখা যাওয়ায় তিনি তা উপলব্ধি করতে পারেন না। কোভিড-১৯ আক্রান্ত কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ঠিক একই ঘটনা ঘটছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন সুস্থ মানুষের ৯৬ থেকে ৯৮ শতাংশ অক্সিজেন ওঠানামা স্বাভাবিক। কিন্তু তা ৯২-এর নিচে নামলেই শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।  যদি ৯২ শতাংশের নীচে অক্সিজেন স্যাচুরেশন নেমে যায় তবে তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায়। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি হয় এবং নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হয় শরীরে। রক্তে যদি অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় হাইপক্সিয়া। আর pulse oximeter হল একটি ছোট্ট ডিভাইস যা আঙুলের মধ্যে লাগিয়ে শরীরে oxygen saturation monitor ও পালস রেট মাপা যায়। সাধারণত কোনও সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ৯৭ শতাংশ অক্সিজেন স্যাচুরেশন হয়। 
 

প্রয়োজন না থাকলেও অনেকে আতঙ্কে ঘরে অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত করছেন ‘পরিজনদের কথা ভেবে । কিন্তু এভাবে ঘরে সিলিন্ডার ব্যবহারের ঝুঁকিও আছে৷ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সিলিন্ডারের ব্যবহার এমনকি মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে । রোগীর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে সেই মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য করে কী পরিমাণ অক্সিজেন দিতে হবে, তার একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানীয় হিসাব আছে। এজন্য এটি নিজে নিজে কিনে ব্যবহারের যুক্তি নেই। অক্সিজেনএর প্রবাহ নির্ধারণ করতে হয়৷ কমাতে হয়, বাড়াতে হয়৷ কতটুকু অক্সিজেন প্রয়োজন তা নির্ধারণ করতে হয়৷ এটা না করে রোগীকে অক্সিজেন দেয়া বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে৷ চোখ ও শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে । 

 

হায়দরাবাদ পুলিশের কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ছিল অক্সিজেনের কালোবাজারি নিয়ে। তদন্তে নামে পুলিশ। শেষ দু'দিনে কালোবাজারি চক্রের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিক্রির জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলের কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না বলেই অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের অনেককেই মৃদু উপসর্গ থাকলে 'হোম আইসোলেশনে' রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সেই সব পরিবারের অনেকেই তাই অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন পড়ছে। আর তাতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে চক্র।  
 

সারা দেশে মূলত দু’টি প্রস্তুতকারক সংস্থা মিলিয়ে প্রতি মাসে ৩০-৩৫ হাজার সিলিন্ডার তৈরি করে।  ‘‘১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশে এক শতাংশ মানুষকেও যদি সিলিন্ডার দিতে হলে ১ কোটি ৩০ লক্ষ সিলিন্ডারের প্রয়োজন। সে জন্যই প্রয়োজন না থাকলে কারও অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনা উচিত নয়। তাতে যাঁদের প্রয়োজন তাঁরা পাবেন না।’’ সংস্থার পদস্থ কর্তা জানান, পূর্বাঞ্চলে একসময় প্রতি মাসে দেড়-দু’হাজার সিলিন্ডারের প্রয়োজন পড়ত। কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে তা এখন তিনগুণ হয়ে গিয়েছে। 
 

কোনভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে  হাসপাতালে সময় মতো অক্সিজেন সেবা পাবেন কিনা এমন আতঙ্ক বা সংশয় থেকেই এই পণ্যগুলো কিনে রাখার কথা জানান সাধারণ মানুষ। এই প্রবণতা রোধ করা মুশকিল। তার চেয়ে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান মডেলে অক্সিজেনের আরও আউটলেট খোলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে।

চাকুরীর বিজ্ঞাপনে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত না করার প্রতিবাদ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক, সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চ, শিলচর
সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চ, শিলচর 


১.  জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, আসাম, এর সঞ্চালক এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ৬০ জন 'আরোগ্য মিত্র' (এ-আর-এম) এবং ৩৬৯ জন 'প্রধান মন্ত্রী আরোগ্য মিত্র ' পদে দরখাস্ত আহ্বান করেছেন। তাতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রার্থীদের অবশ্যই অসমীয়া, ইংলিশ ও হিন্দি - এই তিন ভাষায় ভাল দক্ষতা থাকতে হবে। কিন্তু বরাক উপত্যকায় ১৬০ টি পদ (কাছাড়ে-৬০, করিমগঞ্জে-৬০, হাইলাকান্দিতে-৪০) রয়েছে। তাহলে বরাকে কি বাংলা লাগবে না ? বরাকের সরকারি ভাষা আইন উপেক্ষা করে ঐ কর্মীরা কি অসমিয়ায় কাজ চালাবেন? বরাকের প্রার্থীরা মাধ্যমিকে অসমীয়া না থাকায় এই পদগুলিতে দরখাস্ত করতেই পারবেন না।

 
ই-মেল্ যোগে এই বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদ পত্র পাওয়ার পর ঐ দিনই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সঞ্চালক সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে 'কে তার উত্তরে জানিয়ে দেন যে বাংলা ভাষায় দক্ষতা থাকার কথাটি যুক্ত করা হবে ও বরাক উপত্যকায় নিয়োগের ক্ষেত্রে সেটাকে অবশ্য প্রয়োজনীয় বলে গণ্য করা হবে। বিজ্ঞাপনে  সংশোধনী দেওয়া হবে। 


২. সারা  আসামে বিভিন্ন মাধ্যমের প্রোভিন্সিয়ালাইজড (প্রাদেশিকৃত) হাইস্কুল সমূহে ৫৭৪৬ জন স্নাতক  শিক্ষককে শূন্য পদের বিপরীতে নিযুক্তি দেবার জন্য দরখাস্ত চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ হয়েছে ১২ সেপ্টেম্বর তারিখে। প্রার্থীদের মাধ্যম অনুসারে অন্ততঃ মাধ্যমিক পরীক্ষা সেই ভাষায় পাশ করা আবশ্যিক বলে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ইংরেজি মাধ্যমে পাশ করা প্রার্থীরা যদি অসম সাহিত্য সভা পরিচালিত 'অসমীয়া ডিপ্লোমা কোর্স " পাশ করেন তবে তারা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অথচ  বরাক উপত্যকা বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন কর্তৃক সরকার অনুমোদিত 'বাংলা ডিপ্লোমা কোর্স ' পাশদের  এবার সে সুযোগ দেওয়া হল না। এর আগে কিন্তু সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। 
       

বিভিন্নভাবে বরাকের প্রার্থীদের বঞ্চনা করার এসব পরিকল্পিত চক্রান্তের প্রতি সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চ দৃঢ় প্রতিবাদ জানিয়ে পৃথক পৃথক স্মারকলিপি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা দপ্তরে প্রেরণ করে সংশোধন দাবি করেছেন। এগুলির প্রতিলিপি বরাকের জন প্রতিনিধিদের কাছেও প্রেরণ করে হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
         

বরাক উপত্যকা বঙ্গ সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মেলন পৃথকভাবে এই দুটি বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাকে ও বাংলা ডিপ্লোমা পাশ প্রার্থীদের যোগ্যতার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকপত্র পাঠিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত আসামের শিক্ষা কমিশনার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী গৌতম প্রসাদ দত্তকে জানিয়ে দেন যে বাংলা ডিপ্লোমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই বাংলা  ডিপ্লোমার পাঠ পরিচালনা করেন বরাক বঙ্গের শিক্ষা কেন্দ্র। এটি আসাম সরকার অনুমোদিত একটি বিধিবদ্ধ ডিপ্লোমা। এই কেন্দ্রের সঞ্চালকের দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে, এবং রেজিস্ট্রার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রূপে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন যথাক্রমে ডঃ সব্যসাচী রায় ও শ্রী সঞ্জীব দেবলস্কর। 
পরিশেষে উভয় ক্ষেত্রেই বাংলা ভাষাকে যোগ্য সম্মান দিয়ে সরকার  সংশোধনী প্রকাশ করেছেন।
                             

অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে 

সাধারণ সম্পাদক,                     

সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চ, শিলচর -৫                     

ফোন : ৮৬৩৮৪৯৪২৬৮

D.K.Dey
Former Prof & Principal
R-7, Ramkrishna Sarani
Silchar-12,India-788005

কোভিড পরিস্থিতিতে মেডিকেল সেলস প্রোমোশন পেশাদার দের সমস্যা
ও তার থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা 
19 September 2020

 

মেডিকেল সেলস প্রোমোশন পেশাদার দের সমস্যা ও তার থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা নিয়েই আমরা বসেছিলাম অনলাইন আলোচনায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ সন্ধ্যায় ...

 

আলোচনায় ছিলেন ...

 

আলোচক / Panelists -

Subrata Roy (Executive Committee Member of CRU (NER))

Rupali Pegu (Asst. Labour Commissioner, Cachar, Assam)

Advocate Debabrata Das

 

সঞ্চালক / Moderator - Krishanu Bhattacharjee

 

 

এই বিভাগের লেখা ও ভিডিও নিয়ে আপনার মতামত

ঈশানের যোগাযোগ

ঈশান কথার ঠিকানা

BANIPARA

SILCHAR - 788001

ASSAM , INDIA

PHONE : +91 6002483374, 7002482943, 9957196871

EMAIL : ishankotha@gmail.com

Facebook Page : 

https://www.facebook.com/ishankotha

ঈশান কথায় লেখা পাঠাতে হলে

  1. Whatsapp your Writeup (in Bengali or English) in any of our phone numbers

  2. Email your Article written in MS Word (no pdf file / no image file) in our email id

  3. For Bengali Articles, write with AVRO Software or use any Bengali Unicode Font for Writing in MS Word (No STM software)

  4. You can send the Articles in Bengali or English in Facebook Messenger also to any one the IDs of - Joydeep Bhattacharjee / Krishanu Bhattacharjee / Chinmoy Bhattacharjee /  Page of Ishan Kotha "m.me/ishankotha"

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
Give Us Your Feedback
Rate UsPretty badNot so goodGoodVery goodAwesomeRate Us

© 2020-21 by Ishan Kotha. Site Developed by CHIPSS