রাজ-সমাজ-অর্থ + নীতি

ভাবনায় নির্বাচন ২০২১
পর্ব ১২
বিষয় : ভোট_ভোট_গন্ধ_এসেছে
জয়শ্রী ভূষণ 
২৬ মার্চ ২০২১
দেখতে দেখতে এসে পড়লো ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
আসামের নির্বাচনের তারিখ ঠিক হয়েছে ২৭ মার্চ, ০১ এপ্রিল এবং ০৬ এপ্রিল।
বরাক উপত্যকায় নির্বাচন আগামী ০১ এপ্রিল ২০২১।
আসন্ন নির্বাচন কে সামনে রেখে "ঈশান কথা" পুরো মার্চ মাস ধরে আপনাদের সামনে তুলে ধরবে এই ধারাবাহিক
"ভাবনায় নির্বাচন ২০২১"
যাতে থাকবে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই সমাজের বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, লেখক, বিভিন্ন পেশায় যুক্ত থাকা মানুষ এবং ছাত্রছাত্রী দের ভাবনাচিন্তা, মত-অভিমত, অথবা বিশ্লেষণমূলক লেখা ...
আজ পর্ব ১২ ...

… অনেক দিন পর ... মানে অনেক মাস বা বছর পরও বলা যায় কিছুটা কেমন একটা হুড়ুমদুড়ুম গমগমে ভাব চারিদিকে। বেশ একটা নির্ভয়ের পরিবেশ। এই যেমন পূজোর সময় হয় না, তারপর আপনার চৈত্র সেলের সময় হয়, পূজো পূজো গন্ধ, বেশ একটা চনমনে ভাব অনেকের  মাঝেই। ... আবার এই যে পূজো আসার আগেই পূজো ভাব, নাটক নাটক গন্ধ, খুশী খুশী গন্ধ বেশ ভালো লাগে তাই না।

 

সব সময় একটা ভয় ভয় ভাব, এই আজ করোনা, কাল লকডাউন, পরশু পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু মিছিল, এন আর সি ছুটদের আত্মহত্যার মিছিল, ডি ক্যাম্পের ভেতরের বাইরের কান্না, নিঃশব্দের নিঃশব্দতা ভেঙ্গে কেমন যেন একটা কিছু অন্যরকম অন্যরকম ভাব গতিবিধি চারিদিকে। বহুদিন পরে বরাক উপত্যকায় গান বাজনা নাটক কবিতা ছড়ার ছড়াছড়ি। কিছুদিন আগেও যে ছিল, এই বুঝি কিছু হলো, এই বুঝি সব গোল্লায় গেল, এই বুঝি এফ আই আর হলো। সব যেন নিজের ঢোঁকটাও গিলতে গিয়ে চিন্তা ভাবনা করতো বিশেষ করে আমাদের বাবু সমাজ আর কি। আর গরীব গুব্বোদের তো কথাই নেই, ছোট বাচ্চা, গর্ভবতী মহিলা, বুড়োরা পথে ঘাটে পিপড়ার মত চিড়েচেপ্টা হয়ে স্বজ্ঞে গেছেন সবাই। তারপর আবার মুসলমানদের তাণ্ডবে দেশটা প্রায় পাকিস্তান চীনের হাতে চলেই গেছিল। ভাগ্যিস ভোট এল। তাই আপাতত সব ঠিকঠাক। এই যেন করোনা এসে যা যা তাণ্ডব করেছিল, এই নির্বাচন, ভোট ভোট গন্ধ সঅঅঅঅব ধুঁয়ে মুছে এক্কেবারে পরিষ্কার করে দিয়েছে। 

ভারতের আকাশে যে মেঘ জমে ছিল, সারা দেশে বাদ দিয়ে শুধু আমাদের দেশের কথা মানে এই বরাকের কথাই যদি বলি, দারুণ সব ব্যাপার স্যাপার আশে পাশে। সত্যি বলছি আমার কিন্ত দারুণ লাগছে। রাস্তাঘাট ঝাঁ চকচকে। ঘনঘন বিমান অবতরণ চলছে। এই এ আসছে কাল সে আসছে। সব ইয়া বড় বড় সব মানুষজন। কি ভালো খবর তাই না। আমার ইচ্ছে, শুধু আমার না অনেকেরই ইচ্ছে হচ্ছে তাই না বলুন, চলুক না এই ভোট ভোট খেলা এক বছর ধরে। জোর প্রচার চলুক। সারা বছর নাই বা হলো এই যে কিছুদিন উন্নতির জোয়ার এসেছে চলুক চলুক। এই রে যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত মানে যারা এই পেছন থেকে মঞ্চ সাজানো, পেছন থেকে সব কাজকর্ম করছে, সমস্ত সরকারি ও রাজ্যিক স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা, এবং সকল নিরাপত্তারক্ষীরা যদি আমার এই ভোট ভোট খেলার বহুদিন চলার ইচ্ছার খবর পায়, এক্ষুনি সবাই কাস্তে ছুড়ি দা লাঠি সোটা সব নিয়ে ধাওয়া করবে। আসলে এদের কষ্টটাতো শুধু এরাই জানে আর জানে তাদের পরিবারের মানুষেরা। প্রতি ভোটে কতশত নিরিহ ভোটকর্মীরা প্রাণ দেন এই গণতন্ত্র নামক ব্যবস্থার খেলার চোটে তার পরিসংখ্যানও বিশাল। যাই হোক আমি আবার ট্যারাম্যারা কথার রাস্তায় আমার মনের খুশিটাকে হারিয়ে ফেলছি। তার আগেই ট্রেক চেঞ্জ করে আবার খেলায় ফিরে আসি চলুন। তা যা বলছিলাম আর কি বেশ খেলা খেলা খেলা হবে ভাব চলছে। আসতে যেতে সুন্দর সুন্দর মজার মজার গান কবিতা ছড়া সব শুনছি।  ঘরে বাইরে আসতে যেতে একজন আরেকজনের উদ্দেশ্যে একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে এই যে মজার কবিতা গান ছড়ার খেলা, প্রথম প্রথম এতটা পাত্তা না দিলেও, গত কয়েকদিন থেকে বেশ মজাই লাগছে আমারও। অনেকের প্রতিভা কাজে লাগছে, এই ভোটের মরশুমে কবিতা গান গেয়ে যদি দুটো রোজগার করা যায় তাও মন্দ কি। যাই হোক মোদ্দা কথা সব ভালোই চলছে।

এটাই আসল কথা ভালো না মন্দ। এত নমুনা, ভোট, গণতন্ত্র ভোটাধিকার, দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা সুশাসন এবং আমরা যারা এই ভারতবাসী তাদের জন্য কাজ করার জন্য এই ভোট ভোট খেলা। কিন্ত প্রতিটি নির্বাচনের পরেই যারা জিতেন, এবং পরে মন্ত্রী তন্ত্রী হওয়ার পর সবার আসল রূপখানা প্রকাশ পায়। সবার মানে বেশিরভাগের কথা বলছি। যারা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করছেন, এই দেশের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সরকারি কাজ সুষ্ঠু ভাবে করছেন তাদের কথা বলছি না। যারা এই শেষ মূহুর্তে পড়াশোনা না করে পরীক্ষা পাশের মত, ভোটে জিতে আঙুল ফুলে কলা গাছ, তারপর শুধু কোটি কোটি নয়, হাজার হাজার কোটি টাকা, দেশের দশের  সবাইকে ঠ্যাঙা দেখিয়ে,  সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেন তারপর এই দেশ ও দেশের নাগরিকদের নিজেদের সম্পত্তি ভাবেন। তাদেরকে এইভাবে ভাবতে না দেওয়াটা এবং এই বাড় না বাড়ার জন্য, ভোটারদের সচেতনতা, সংবিধান কি এবং কেন, এবং আমরা কেন ভোট দেই, যাদের আমরা নির্বাচন করি, তারা আসলে আমাদের এবং শুধুই আমাদের কাজকর্মটুকু করার জন্য গদিতে বসতে যাচ্ছেন এটা আসলে যারা গদিতে বসতে যাচ্ছেন তাদের থেকে আমরা যারা বসাচ্ছি তাদের বেশি বোঝা উচিত। সরকারি তরফে এসব বোঝানোর দায়িত্ব কোন বিভাগের আছে কিনা আমার জানা নেই থাকলেও কেউ করে বা করেছে কি না তাও জানা নেই। যাই হোক এত কিছু পরে, যা চলছে দেশ জুড়ে এখন, মনে হয়, আমাদের দেশে রাজনীতি কি এবং কেন, ভোট কি কারা দেয় এসব নিয়ে আবার শূন্য থেকে কাজ করা দরকার। এক্কেবারে সবার জন্যই। মানে যারা সো কোলড কাগুজে শিক্ষিত তারাও আজকাল রাজনীতি খারাপ, নোংরা বলে দায় এড়িয়ে অফিস আদালতে গিয়ে যাকে সামনে পাবে তাকেই গালি গালাজ করে আসে, কিন্তু আমাদের দেশের এবং দেশ পরিচালনার জন্য যে নীতি নির্ধারণ করা হয়, আমাদেরই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা।  যাদেরকে আমরা বলছি যাও বাবা ঠাকুররা, গিয়ে আমাদের ভোটে জিতে গদিতে বসে বলো, এই যে উইপোকার দল, তোমরা কে হে। আমি তো বাঙালি বলে ১ কোটি আসামের কাউকে চিনি না। ভোট দিয়েছো গদি দিয়েছো ব্যস, তোমরা এখন গোল্লায় যাও, জাহান্নামে যাও, আমি বাপু এখন ব্যস্ত কাকা করতে করতে বাংলাদেশী খুঁজতে। নামের পাশে আকার ঈকার না থাকলেই সটান ঘাড় ধরে এক্কেবারে বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে ডি তকমায় ডিটেনশন ক্যাম্পে। আমাদের ভোটে জিতে আমাদেরই কাগজ পত্র চেক করতে করতে করতে আমাদের নাকানিচোবানি খাইয়ে আমাদেরই পাব্লিক মানিতে ক্যাম্প বানিয়ে আমাদেরই জেলে চালান। যা বাব্বা কিছু বলা যাবে না,  বললেই শ্রীঘর।  আরে এখন আর জনপ্রতিনিধি নয় কেউ জিতে গেলেই সব এক একজন ভগবান। বলি গান বাজনা ছড়ার সাথে এই কথাগুলোও আমার শুনতে ইচ্ছে করে।

 

এই দেশ আমার মা বাবার আমার চৌদ্দপুরুষের দেশ। আমার বাপ মা ঠাকুমাকে ভিটে ছাড়া করার তুমি কে হে বাপু।  দুদিনের জন্য আমাদের হয়ে কাজ করতে পাঠিয়েছি আমরা এই দেশের এই ভারতের সংবিধানের আইনি ভাবে সুনাগরিকেরা। তা সারা বছর পড়াশোনা না করে আমার মত যারা পরীক্ষার আগের দিন নাকের জলে চোখের জলে কোনমতে পরীক্ষা পাশের জন্য আকুল ব্যকুল, এই জননেতাদের দেখে আমার শুধুই নিজের ওই পরীক্ষার দিনগুলোর কথাই মনে পড়ে যাচ্ছে। যা হোক কোন মতে পাশ করে এলেও তো, তারপর আবার সব যে কে সেই, সেই কথাটা ভোটারদের মনে রাখতে হবে। আর সে জন্য চাই জন সচেতনতা।  আরও ভালো মহিলাদের অবস্থান নিয়ে, যারা গ্রামে গঞ্জে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। এরা তো ভোট কি এবং কাকে দেবেন কেন কিছুই জানেন না। জানবেন কি করে ঘর নিয়ে স্বামী সংসার, ছোটরা পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আমাদের মেয়েদের সব সুবিধা পাইয়ে দেবার  কথা বলে থাকলেও দেবে কে। পাঁঁচবার বিধায়ক মন্ত্রী হয়েও নিজের দল থেকে টিকিট বা মনোনয়ন না পেলেই অন্য দলে নাম ভিড়িয়ে কি করে ওই ঘি এর সমুদ্রে ডুবে থাকা যায় তার জন্য রীতিমতো হাতাহাতি মারামারি চুলোচুলি  তা মেয়েরা কোথায় সুযোগ পাবেন। নতুনরা  কি করে রাজনৈতিক অংগনে পা রাখবেন। নতুন কাউকে দেখলেই তো পুরোনোদের বুকে ধুকপুকানি শুরু হয়ে যায়। সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রেই ট্রান্সফার এবং তাও ৬ মাস পর পর জরুরি যাতে কেউ এক জায়গায় থাকতে থাকতে ক্ষমতার অপব্যবহার না করেন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অভিমত এটি খুবই জরুরী।  কিন্ত আইন এবং নিয়মাবলি থাকলেই হবে না, তার প্রয়োগ প্রসারও খুবই জরুরী। এই বিষয়গুলো নিয়েও জনতার সচেতনতা জরুরি আমাদের নিজেদের সুশাসনের জন্য।

এবছর কাছাড় নির্বাচনে ১৫ টি সিটে প্রায় ২০০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই ভোট ভোট খেলায়। এবারের এই বরাকে সর্ব ভারতীয় রাজনৈতিক দলের হয়ে মহিলা প্রার্থী মাত্র এক জন। এই দেশের সাথে এই আসামের এই বরাকে  বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা সাহিত্য সংস্কৃতি সহ  বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উচ্চ পদে এই অঞ্চলের মহিলারা সুনামের সাথে কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন। এই উপত্যকার স্বনামধন্যা মহিয়ষীরা অনুরূপা বিশ্বাস, বীণা দাশগুপ্ত, লহরী ভট্টাচার্য, মাধুরী ভট্টাচার্য, জ্যোৎস্না চন্দ, আনোয়ারা তৈমুর, রশীদা খান, রমা বাঈ, কল্যাণী দাস মিশ্ররা এবং আরও অনেক খুব বেশিদিনের পুরোনো নন, এরা সবাই সক্রিয় রাজনীতিতে ছিলেন। এই অঞ্চলেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩৩% মহিলা প্রার্থী ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবুও আজ এই ২০২১ শে বরাক উপত্যকায় মহিলা প্রার্থী মাত্র একজন। অথচ বাকি সমস্ত পেশায় সর্বভারতীয় স্তরে এই অঞ্চলের মহিলারা ডিসি, এডিসি, জাজ, আইনজীবী, ইউ পি এস সি লেভেলের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি স্কুল কলেজ প্রফেসর, নামকরা সাহিত্যিক, এমন কি এই এন আর সি, ডি, ডিটেনশন নিয়ে যে আন্দোলন হয়েছে তাতেও মেয়েরাই ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। যে অঞ্চলের মহিলারা আজও এন আর সি, ডি, ডিটেনশনের গ্যারাকলে আজও আটকে আছেন, তাদের হয়ে কথা বলার মত একটি মহিলা প্রার্থী এই অঞ্চলের একটি রাজনৈতিক দলও দিতে পারে নি। এর দায় কিন্তু উভয় পক্ষেরই। এতেই বোঝা যায় নীতি ও রাজ নিয়ে এই অঞ্চলের মহিলা এবং দল কেউই তেমন আগ্রহী নন, এবং এই অনাগ্রহ এবং অসচেতনতা সত্যি চিন্তার বিষয়।

 

এই অঞ্চলের ঘরে ঘরে মেয়েরা শপিং মলের বিভিন্ন শো রুমের সেইলস গার্লস  এবং শপিংমলের নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবেও মেয়েদেরকেই আজও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। যে অঞ্চলে ২২১ টি বুথে মহিলাদের দ্বারা সম্পূর্ণ  ভোট পরিচালিনা করার ব্যবস্থা হচ্ছে এবং হবেও, প্রিসাইডিং অফিসার থেকে মহিলা নিরাপত্তা কর্মী এবং মহিলা পুলিশদের দ্বারা, সেই অঞ্চলে মহিলা প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র একজন। এই বিষয় গুলো নিয়ে কোন দলের তেমন মাথা ব্যথা নেই, কারণ সবার নিজের চিন্তাই বেশি। কিন্তু সার্বিক স্বার্থে আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য, সুশাসনের এবং নিরাপত্তার জন্য সবার সাথে অন্তত ৫০% মেয়েদের সক্রিয় রাজনীতিতে ভাগ নেওয়া জরুরি বলেই মনে হয়। তাতে যেমন পরস্পরের সাথে আমাদের সমস্যার এবং সমস্যা নিরসনের পথ প্রশস্ত হবে, সমাজ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড মেয়েদের ভাগিদার বাড়বে। সেই সাথে আমাদের এই অঞ্চল প্রশাসনিক ভাবে আরও উৎকৃষ্ট স্থান হিসেবে আমাদের সম্মান বাড়াতে সাহয্য করবে। গোটা ভোট প্রক্রিয়া, সংবিধান এবং আমাদের কর্তব্য ইত্যাদি নিয়ে আরও ভাবনা চিন্তা করার জন্য নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। এই এগিয়ে আসার জন্য প্রবীণরা তাদের  অভিজ্ঞতা এবং সামনে এগিয়ে যাবার জন্য রাস্তা করে দিতে হবে। না হলে এই দুই দিনের খেলার পরে আবার পচে মরতে হবে এখানেই।


 

ঈশানের যোগাযোগ

ঈশান কথার ঠিকানা

BANIPARA

SILCHAR - 788001

ASSAM , INDIA

PHONE : +91 6002483374, 7002482943, 9957196871

EMAIL : ishankotha@gmail.com

Facebook Page : 

https://www.facebook.com/ishankotha

ঈশান কথায় লেখা পাঠাতে হলে

  1. Whatsapp your Writeup (in Bengali or English) in any of our phone numbers

  2. Email your Article written in MS Word (no pdf file / no image file) in our email id

  3. For Bengali Articles, write with AVRO Software or use any Bengali Unicode Font for Writing in MS Word (No STM software)

  4. You can send the Articles in Bengali or English in Facebook Messenger also to any one the IDs of - Joydeep Bhattacharjee / Krishanu Bhattacharjee / Chinmoy Bhattacharjee /  Page of Ishan Kotha "m.me/ishankotha"

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
Give Us Your Feedback
Rate UsPretty badNot so goodGoodVery goodAwesomeRate Us

© 2020-21 Ishan Kotha. Site Developed by Krishanu's Solutions