রাজ-সমাজ-অর্থ + নীতি

ষষ্ঠ তফসিল
গোবিন্দ ভট্টাচার্য
ভাষান্তর - জয়দীপ ভট্টাচার্য
প্রথম পর্ব
২১ জানুয়ারি ২০২১

৬ই ডিসেম্বর, 'দি স্টেটসম্যান' পত্রিকার ইংরেজি এডিশনে প্রথম বেরিয়েছিল এই প্রবন্ধ টি।

উত্তর পূর্বের বাঙালি তথা অনুপজাতি দের জন্য প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় এর বঙ্গানুবাদ করেছেন জয়দীপ ভট্টাচার্য।

দুই পর্বে বিভক্ত এই প্রবন্ধের প্রথম পর্ব আজ এখানে প্রকাশিত হল  ... 

ভারতীয় সংবিধানের ২৪৪ ধারাতে দুটি তফসিল (schedule) এর মাধ্যমে তফসিলি এলাকা ও উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার শাসনব্যবস্থার ব্যাপারে দিগনির্দেশ করা রয়েছে। পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule) এর নিয়মাবলী মূলতঃ ত্রিপুরা, মিজোরাম, আসাম, মেঘালয় - এই চার রাজ্য ছাড়া বাকি তফসিলি অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং ষষ্ঠ তফসিল (Sixth Schedule) এর অধীনে গৃহীত নিয়মকানুন উপরোক্ত চার রাজ্যের উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই দুই তফসিলের জন্মলগ্ন কিন্তু সেই উনিশ শতকে যখন বৃটিশ উপনিবেশ ধীরে ধীরে বর্ধিত হয়ে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার দখল নিতে শুরু করে এবং যখন স্থানীয় উপজাতিরা এই ধরণের অনধিকার দখলদারিত্বের বিরুদ্ধাচরণ করতে শুরু করে।

১৮৭৮ ও ১৯২৭ এ গৃহীত বন আইন দ্বারা উপজাতিরা বনভূমির উপর তাদের পরস্পরাগত অধিকার থেকে বিচ্যুত হয়। এর ফলে তাদের মধ্যে অসন্তোষ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে যার ফলশ্রুতিতে বস্তার অঞ্চলের উপজাতি, কুকি, নাগা, সাঁওতাল সহ আরো অনেকর বিদ্রোহের মোকাবেলা করতে হয় তদানীন্তন শাসকপক্ষকে। ঔপনিবেশিক শাসকরা বাধ্য হয়ে তখন কিছু আইন কানুন তৈরী করেন যাতে উপজাতিদের পরস্পরাগত স্বায়ত্তশাসন বা স্বশাসন এর অধিকার ক্ষুন্ন না হয়। 

প্রধানত উপজাতি অধ্যুষিত বহু এলাকাকে ১৮৭৪ এর জেলাভিত্তিক তফসিলি আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। ভারত সরকারেরই অধিনিয়ম - ১৯৩৫ এবং ভারত সরকারের (বহির্ভূত অথবা আংশিক বহির্ভূত অঞ্চল সম্বন্ধীয়) নির্দেশ - ১৯৩৬ এর মাধ্যমে এইসব এলাকাকে সাধারণ শাসনব্যবস্থার আওতাভুক্ত নয় বলে  ঘোষণা করা হয়।

 

স্বাধীনোত্তর পর্বে উপরোক্ত এলাকাগুলিকেই পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল এর আওতাধীন বলে ঘোষণা করা হয় যাতে এসবের স্থানীয় উপজাতিদের স্বায়ত্তশাসন, কৃষ্টি-সংস্কৃতি ইত্যাদি সূরক্ষিত থাকে এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এর সুযোগ থাকে। যদিও কোনো অঞ্চলকে কিসের ভিত্তিতে এই দুই তফসিলের আওতায় আনা হবে সে সম্বন্ধে ভারতীয় সংবিধানে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ নেই কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই ব্যাপারে কিছু বিশেষ মানদন্ড নির্নায়ক ভূমিকা পালন করে - যেমন কোনো অঞ্চলে উপজাতিদের সংখ্যাধিক্য, অনুন্নয়ন, স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থিক পশ্চাৎপদতা - এবং এই সব মানদন্ডকে একীভূত করেই সংবিধানের ৩৪২ ধারা অনুযায়ী তফসিলি উপজাতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়।
 

যে দশটি রাজ্যে তফসিলি অঞ্চল নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় সেগুলো - অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা। যদিও দেশের সমস্ত উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল যেমন - কেরালা, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, পশ্চিম বঙ্গ, উত্তর প্রদেশ বা জম্মু কাশ্মীরের উপজাতি এলাকাগুলোকে পঞ্চম বা ষষ্ঠ তফসিল ভুক্ত করা হয়নি। ষষ্ঠ তফসিলের উৎপত্তি কিন্তু ১৯৪৬ এর 'কেবিনেট মিশন' এর মাধ্যমে যা সংখ্যালঘু, উপজাতি ও বহির্ভূত এলাকা সম্বন্ধীয় ব্যাপারে গন পরিষদ (constituent assembly) কে একটি উপদেষ্টা সমিতি গঠন করার নির্দেশ দেয় এবং সেই একই নির্দেশ অনুযায়ী গোপীনাথ বরদলৈর সভাপতিত্বে এই ব্যাপারে একটি উপসমিতি গঠন করা হয়।
 

এই উপসমিতি আঞ্চলিক পরিষদ ও স্বশাসিত জেলা পরিষদ গঠন এবং এদের বিশেষ ক্ষমতায়ন - যেমন এদের অধীনস্থ অঞ্চলে কিছু বিশেষ খাজনা আদায়, আর্থিক স্বক্ষমতা, বা এসব অঞ্চল থেকে বিধানসভায় শুধু উপজাতিদের প্রতিনিধিত্বের বিধান ইত্যাদি প্রস্তাবনা গ্রহণ করে। এ নিয়ে গন পরিষদে কিন্তু উত্তপ্ত বিতর্কের সৃষ্টি হয়। আসামের সদস্যরা এই প্রস্তাবনা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে এতে করে নিশ্চিতভাবে সমগ্র দেশে বিশৃঙ্খলা, অব্যাবস্থা ও নৈরাজ্যের সৃষ্টি হবে। কিন্তু ডঃ আম্বেদকর জোরালো ভাবে একে সমর্থন করেন এবং বলেন যে এইসব উপজাতিদের আর্থ সামাজিক অবস্থা এতটাই স্বতন্ত্র যে তা শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'রেড ইন্ডিয়ান' দের সাথেই তুলনীয় এবং তাই এদের একবারে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠদের জন্য রচিত আইন কানুন এর আওতায় আনা বিপজ্জনক। এবং মূলতঃ তার অবদানেই বরদলৈ কমিটির প্রস্তাবনা গন পরিষদে গৃহীত হয় যা পরে ষষ্ঠ তফসিল নামে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়। ষষ্ঠ তফসিল এর বিবেচনার ভিত্তিতে বর্তমানে উত্তর পূর্বে দশটি স্বশাসিত জেলা পরিষদ রয়েছে - মেঘালয়, মিজোরাম ও আসামে তিনটি করে এবং একটি ত্রিপুরাতে। স্বশাসিত জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদ গুলিকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা অধীনস্থ এলাকার বরাদ্দ, জীবিকা, কৃষি ও অন্যান্য জমি, বনভূমি, জুমচাষ, শহর ও গ্রাম পরিষদ গঠন, সম্পত্তির অধিকার, স্থানীয় কৃষ্টি সংস্কৃতির রক্ষনাবেক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে আইন প্রনয়ণ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
 

এই স্বশাসিত জেলা পরিষদ বা এ.ডি.সি গুলিকে একটি রাজ্যের ক্ষুদে সংস্করণ বলা যেতে পারে কারণ সরকার পরিচালনার তিন মূল স্তম্ভ আইনসভা, কার্যনির্বাহী সভা ও বিচারসভা সংক্রান্ত কিছু বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্ব এদের দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের অধীনস্থ জেলা গুলি থেকে জমি এবং আরো কিছু খাজনা যেমন পেশাদার বা ব্যাবসা বানিজ্য প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি থেকে খাজনা আদায় করতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অনুপজাতিদের ঋন দেওয়া বা ব্যাবসা বানিজ্য কে নিয়ন্ত্রন করা ক্ষমতাপ্রাপ্ত। ষষ্ঠ তফসিল বা সিক্সথ শিডিউল সেই অর্থে অনুপজাতিদের অনেক মৌলিক অধিকার, যা সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকদের প্রাপ্য তা খর্ব করছে - যেমন সমতার অধিকার (আর্টিকেল-১৪), জাতি, লিঙ্গ, জন্মস্থান বা ধর্মভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে নাগরিক অধিকার (আর্টিকেল-১৫), সরকারি নিয়োগে সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার (আর্টিকেল-১৬), দেশের যে কোনো প্রান্তে প্রতিস্থাপিত ও বসবাস করার অধিকার (আর্টিকেল-১৯) ইত্যাদিতে।

 

আসলে উপজাতিদের দীর্ঘদিনের আর্থ সামাজিক অনুন্নয়নের ইতিহাস এবং সবার জন্য ন্যায় এই দুই বিষয় কে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সংবিধান প্রনেতারা দেশের সাধারণ প্রান্তিক মানুষ, বিশেষ করে তফসিলি উপজাতিদের ক্ষেত্রে সমতা ও ন্যায়ের ধারণাটিতেই একধরনের সুক্ষ্ম তারতম্যের অবতারণা করেছিলেন যার জন্য এই পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিলকে আইনি মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। তফসিলি উপজাতি এবং জনজাতি ও অন্যান্য পিছপড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি ঐতিহাসিকভাবে যে বৈষম্য হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি রুখতে বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা ও অধিকার অবশ্যই দেওয়া উচিত। কিন্তু একই সঙ্গে সংবিধানের ধারা - ১৩(২) বলছে যে রাষ্ট্র এরকম কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারেনা যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে। দেশের যে কোন জায়গায় জমি কেনা ও বসবাস করার অধিকার মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে দেশের ২৬ টি রাজ্য কোন না কোন আইন রয়েছে যার জন্য কোন উপজাতি এলাকার জমি অনুপজাতিরা কিনতে পারেন না। এগুলো অবশ্য শুধুমাত্র তফসিলি বা উপজাতি এলাকাতে প্রযোজ্য হলেও নাগাল্যান্ড এবং মেঘালয়ে পুরো রাজ্যকেই ষষ্ঠ তফসিল এর আওতাধীন করা হয়েছে যার ফলে এই দুই রাজ্যে অনুপজাতিদের কোথাও জমি কেনার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মেঘালয়ের শিলং এর ২৩ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে শুধু ইউরোপিয়ান ওয়ার্ডের ২ বর্গকিলোমিটার অনুপজাতিদের জন্য ক্রয়যোগ্য তাও যদি কোন উপজাতি ক্রেতা না থাকেন।

 

এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্টের রায়েও বারবার মান্যতা দেওয়া হয়েছে । উদাহরণ হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশর 'সমথা' মামলা (১৯৯৭) অথবা ওড়িশার 'নিয়ামগিরি' মামলার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে যেগুলো উপজাতি এলাকায় খননকাজ সম্পর্কিত ছিল। তবে এই প্রেক্ষিত একরাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ভিন্ন যদিও এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে এমন অনেক বিষয়ের উদ্ভব হয়েছে যা শুধু নাগরিকদের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করেনি স্পষ্ট অবিচারের প্রেক্ষিত তৈরী করেছে। মনে রাখতে হবে সমাজ ব্যবস্থা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং তাই সামাজিক আইন কানুন ও অপরিবর্তনীয় হতে পারেনা। এবং সেজন্যই গত ৭৩ বছরে আমাদের সংবিধানে ১০৩ টি সংশোধনী যুক্ত হয়েছে। এমনকি মৌলিক অধিকারের সংজ্ঞা ও বদলেছে। যেমন সম্পত্তির অধিকার, যা ধারা 19(1)(f) অনুযায়ী আগে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হত তা আর বর্তমানে প্রযোজ্য নয় (৪৪ নং সংশোধনী)। আবার যে আর্টিকেল-২১ অনুযায়ী জীবনের নিরাপত্তা ও ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা মৌলিক অধিকারের মান্যতা পেয়েছিল তাতে পরবর্তীতে শিক্ষার অধিকারকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
 

এরপর আবার সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায়ে আর্টিকেল-২১ এর পরিধি আরো বিস্তৃত হয়েছে। যেমন তথ্যের অধিকার বা অন্তর্জালের সুবিধা,
মর্যাদা নিয়ে বাঁচার অধিকার যার সঙ্গে আবার জড়িয়ে আছে জীবিকা, আশ্রয়, বিশুদ্ধ পরিবেশ, বিশুদ্ধ জল এবং অন্যান্য আর্থ সামাজিক অধিকার এসবেরও অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে যা আগে সংবিধানের রাজ্যভিত্তিক নির্দেশনা নীতি (Directive principle of State policy)র অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং অবশ্য বাস্তবায়নের মর্যাদাভুক্ত ছিলনা। এটা বলা বাহুল্য যে সংবিধানের ভূমিকায় যে সামাজিক অর্থনৈতিক তথা রাজনৈতিক ন্যায়ের কথা বলা হয়েছে এ সমস্ত অধিকারের ধারণা তা থেকেই  বিবর্তিত ও রচিত হয়েছে।

 

কিন্তু উপজাতি দের স্বতন্ত্র পরিচিতিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া - যার জন্য পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিলের মতো ব্যাতিক্রমী আইন, যা মূলতঃ জমি এবং জীবিকার উপর তাদের অধিকারকে স্থাপিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল, তাই কি তাদের মূলস্রোতে মিলে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে? যে কোনো যুক্তরাষ্ট্রে কোনো একটি গোষ্ঠীকে সামঞ্জস্যহীন স্বায়ত্বশাসনের অধিকার দেবার উদাহরণ বিরল নয় তবে এই স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে একধরনের সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরী যাতে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার জন্য যে আন্তঃসম্পর্ক প্রয়োজনীয় তা  বজায় থাকে। এই ব্যাপারটি কে  অবহেলা করলে সামাজিক অস্থিরতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবনতা বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা প্রবল থাকে যা একসময়ে সন্ত্রাসবাদে পরিবর্তিত হয়ে রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে শুরু করে। এবং ঠিক এই প্রবনতাই  উত্তর পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যের পরিলক্ষিত হচ্ছে।

 

নিজস্বতা বা স্বতন্ত্রতার ধারনার মধ্যেই তাই সবসময় দুটি পরস্পরবিরোধী উপাদান বর্তমান - একদিকে উপজাতিদের দের বিচ্ছিন্নতা আবার অন্যদিকে বিশ্বায়ন, একীভূতকরণ এবং আর্থিক স্বক্ষমতার হাতছানি। ভোগবাদী সভ্যতার ধারনার সাথে উপজাতিদের আত্মীভূত সাম্যবাদ যা অনাদিকাল ধরে ব্যাক্তি এবং সমষ্টির আন্তঃসম্পর্কের ভিত্তিতে তৈরী হয়েছিল তার মধ্যে একধরনের দ্বন্দ্ব ছিল যা ধীরে ধীরে মৃয়মান হয়ে পড়ছে। উপজাতিদের নতুন প্রজন্ম কিন্তু সমষ্টি ছেড়ে উত্তরোত্তর ব্যাক্তিভিত্তিক রাজনৈতিক তথা অর্থনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন যার নিদর্শন দেখা যাচ্ছে দেশের উন্নত শহরগুলোতে যাকে উত্তর পূর্বের শিক্ষিত উপজাতিদের লক্ষ্যনীয় অংশ বসবাস  এবং কর্মসংস্থানের জায়গা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এর কারণ কিন্তু পুরোটাই অর্থনৈতিক নয়।

চলবে ...

Marble Surface

ঈশানের যোগাযোগ

Marble Surface

ঈশান কথার ঠিকানা

BANIPARA

SILCHAR - 788001

ASSAM , INDIA

PHONE : +91 6002483374, 7002482943, 9957196871

EMAIL : ishankotha@gmail.com

Facebook Page : 

https://www.facebook.com/ishankotha

Marble Surface

ঈশান কথায় লেখা পাঠাতে হলে

  1. Whatsapp your Writeup (in Bengali or English) in any of our phone numbers

  2. Email your Article written in MS Word (no pdf file / no image file) in our email id

  3. For Bengali Articles, write with AVRO Software or use any Bengali Unicode Font for Writing in MS Word (No STM software)

  4. You can send the Articles in Bengali or English in Facebook Messenger also to any one the IDs of - Joydeep Bhattacharjee / Krishanu Bhattacharjee / Chinmoy Bhattacharjee /  Page of Ishan Kotha "m.me/ishankotha"

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
Give Us Your Feedback
Rate UsPretty badNot so goodGoodVery goodAwesomeRate Us

© 2020-21 Ishan Kotha. Site Developed by Krishanu's Solutions