গল্প - ৫

রং সাগরে বিদ্যাবতী
ঝুমুর পাণ্ডে

পাহাড়টা পেরিয়ে যেই পেছন ফিরল বিদ্যাবতীর ছোখটা যেন পাহাড়ের উপর আকাশের গায়ে আটকে গেল এত রঙ, এত রঙ আহারে নীল, কালো, কমলা, হলুদ, সবুজ আরও কত রঙ কে যেন আকাশটার গায়ে গামলা গামলা ঢেলে দিয়েছে৷ বিদ্যাবতী মুগ্ধ হয়ে দেখে৷ এখন রঙগুলো পাল্টাচ্ছে—কমলা হয়ে যাচ্ছে কালো৷ লাল হয়ে যাচ্ছে মেরুন৷ নীল হয়ে যাচ্ছে আকাশি... কতটা বক উড়ে গেল৷ আগে বক দেখলেই দুটো হাত মুঠো করে এক হাতের মুঠোর নখগুলোর সঙ্গে অঅন্য মুঠোর নখ ঘঁষে ঘঁষে বলত বিদ্যাবতী...

বক মামা বক মামা

লতুন কড়ি দিয়ে যা

পুরাণা লিয়ে যা

লিয়ে যা লিয়ে যা...

এদিকে আজকাল আর বেশি আসা হয় না বিদ্যাবতীর৷ বাপই আজ কাশতে কাশতে বলল—গাইটা থোড়া লিয়ে আয়৷ চরতে গেছে৷ গাভীন আছে ভালা৷ বাগান বণধ হবার বাদ লে এখন তো আর বাগাল নাই৷ আগের বাগান বুড়ো আজকাল কি কাজ করে কে জানে নইলে আগে এক পাল গরু নিয়ে জঙ্গলে চরাতে যেত৷ বিদ্যাবতীকে খুব ভালবাসত৷ এই বাগান বুড়ো৷ আসার সময় জংলি আঞ্জির নিয়ে আসত৷ এই বাগাল বুড়া কতরকম যে বাঘের গল্প করত৷ ঝিঙ্গা ফুলি বাঘ, সর্ষফুলি বাঘ৷ কত বাঘ যে রোজ চোখে দেখত৷ ওর সামনে থেকেই নাকি কতবার গরু টেনে নিয়ে চলে গেছে৷ এএকবার নাকি বাগাল বুড়া বাঘের সঙ্গে যুদ্ধও করেছিল—হরিণের গল্পও করত৷ চিতল, নামর, আরও কত সব হরিণেরা ওর সামনে ঘুরে বেড়ায়৷ চাম কাঁঠালের পাত কচকচ করে খায়৷ খায় হরিতকির পাতাও৷ বাঁদরগুলো তখন নাকি গাছে গাছে লাফালাফি করে৷ কখনও কখনও ডালে ধরে দোলাও খায়৷ আরে বাবুভাজি শাকের আঁটিটা কোথায় গেল? হাতে তো ছিল৷ এতক্ষণ ওই টিলার নীচের খাঁজটা থেকে ডগা ডগা দেখে তুলেছিল৷ তারপর লত দিয়ে বেঁধেছিল৷ এই আকাশের রঙের নেশায় পাগল হয়ে কোথায় ফেলে দিল৷ বাপ বলেছিল গাইটা আনতে যাচ্ছিস৷ একটুকুন বাবুভাজিও তুলে আনিস৷ হ্যামি জাল লিয়ে বিলে যাচ্ছি৷ দু-ঠেলা মারে পুঁটি-চিংড়ি পাইলে লিয়ে আসব৷ এখন যদি সাপ পুঁটি-চিংড়ি নিয়ে বসে থাকে৷ আবার যেতেও পারবে না৷ বেলা পড়ে গেছে৷ একটু পরেই অন্ধকার হয়ে যাবে৷ আকাশে আবার একঝাঁক পাখি উড়ে গেল সাঁই সাঁই করে৷ এগুলো বোধহয় ধনেশ পাখি৷ রাম রত্নবাবু তখন পোস্টমাস্টার ছিল৷ একটা ধনেশ পাখি পুষেছিল৷ পাখিটাকে ভাত ভাওয়াত গোল গোল ঢেলার মতো বানিয়ে, কিন্তুএকদিডন পাখিটা মরে গেল৷ বড় মন খারাপ করেচিল মাস্টর কতদিন৷ ছোট বিদ্যাবতী তখন ওর ঘরে কাজ করত কি না৷ ওই লিকলিকে চেহারার মাস্টর আবার যাত্রায় সিরাজউদ্দলা সাজত৷ ঢোলা একটা ঝলমলে পোশাক পরে৷ যদিও পোশাকটার পেছনে বড় বড় ফোকর ছিল৷ ইঁদূরে কেটেছিল৷ বোধ হয়৷ আগে নাচঘরে গান হলে কি যেন আনন্দ হত৷ ঢৈঁ ঢৈঁ করে কনসার্ট বেজে উঠলেই পিঁড়ি নিয়ে নিয়ে সবাই ছুটত৷ মা, সুলোচনা মাসিরা মাথায় চুপ চুপ করে গন্ধ তেল মেখে যেত৷ ওই গন্দে ভুরভুর করত বাতাস৷ প্রথমে নাচনি এসে নাচত৷ কখনও একা৷ কখনও বা সখীবৃন্দ সহ৷ নাচ খুব পছন্দ হলে বা পকেটে টাকা থাকলে টলতে টলতে কেউ স্টেজে উঠে নাচনির বুকে টাকা গেঁথে আসত৷ নাচনি তখন অতি উৎসাহে আরেকদফা নাচত৷ বিদ্যাবতী দশ পয়সার মটরভাজা খেতে খেতে ঘুমিয়ে যেত৷৷ যুদ্ধ হলে আর নাচ হলে জাগত৷ মা ধাক্কা মেরে বলত—হে লেিকি৷ কেনে আইলি তবে নাচ দেখতে ঘরে ঘুমালেই পারতিস ভালা৷ পাশে বসা মসি পিসিরাও তখন কেউ সাদা মলতে মলতে কেউ পান খেতে খেতে বলত—

হুঁ ভালা৷

একটু হল্লা চেঁচামেচি শুরু হলেই মহিলা সর্দারণী ধানবাজিয়া একটা লাঠি নিয়ে বলত— হেই হাল্লা৷ হেই হড়াল্লা৷ সবাই তখন চুপ হয়ে যেত৷ ওদিকে চাম কাঁঠালের গাছে বসে একটা পাখি শিস দিচ্ছে৷ কি পাখি কেজানে৷ ওদিকে গেলে কিছুটা চাম কাঁঠালের বিচি কুড়িয়ে আনতে পারত৷ পেকে পেকে নীচে পড়ে৷ কখনও পাখিয়েও ঠোকরায় কাঁঠালের ছোট্ট ছোট্ট কাওয়াগুলো টক-মিষ্টি খেতে ভালোই লাগে৷ কিন্তু গাছ থেকে পেড়ে আনা বিরাট কষ্ট৷ কেউই ওই টক-মিষ্টি ফলের জন্য এত বড় গাছে চড়ে না৷ তবে বিচিগুলো নীচে পড়ে থাকে৷ পড়াইয়ে বালি দিয়ে ভেজে খেলে বাদামের মতো লাগে৷ কিন্তু এতোটাই উতরাই ভাঙতে এখন আর ইচ্ছে করছে না বিদ্যাবতীর৷ না আসবে না হয় আরেকদিন৷ কিন্তু বাবুভাজি শাকটা কোথায় পড়ে গেল? এই শাকটাকে মাস্টর বলত পালই শাক, শঙ্করবাবুর মা বলত ঢেঁকিশাক আর ধান রাজিয়া সর্দারণী বলে বাঙালি শাক৷ একবার চালতা তলের ঝরনার নীচে বসে বিদ্যাবতী চান করছিল৷ আর বিকর্ণ তখন কতটা বাবুভাজি তুলে একটা লতা ছিঁড়ে বাধছিল আর বিদ্যাবতীও ঝামা দিয়ে পায়ের এড়ি ঘষতে ঘষতে ওদিকে তাকাচ্ছিল৷ হঠাৎ নাচতে নাচতে একটা হরিণ এল৷ আর বিকর্ণও বলে উঠল—বাবুভাজি কে খাবেক? আজ হরিণ মাংস খাব৷ বলতে বলতে শাকটা ফেলে হরিণের পিছু পিছু দা নিয়ে ছুটল? কিছুক্ষণ পরে ফিরে এল বিকর্ণ৷ বিদ্যাবতী তখন রিঠা দিয়ে মাথা ঘষছিল৷ ঘসতে ঘষতে গান করছিল৷

ওভাই প্রাণের লক্ষণ

জানিলে আসিতাম না

পঞ্চবটী বন

আর বির্ণ তখন ককশিমার গাছগুুলো তোলপাড় করছে৷ কি খুঁজছিস? আরে হামার বাবেুভাজি কোথায় গেল? তুই নো বললি হরিণ মাংস খাবিস? ওই বিকর্ণ কোন দূর দেশে জানি গেল৷ আর ফিরে এল না৷ কি সুন্দর বাঁশি বাজাত বিকর্ণ আহারে... ফাওয়ার সময় কাঠিও নাচত—কৃষ্ণরে তোর কালো অঙ্গখানি বিদ্যাবতীকে মরুরমায়ের ঘর থেকে পেয়ারা চুরি করে এনে দিত বিকর্ণ৷ দুজনে মিলে গির্জাটিলায় লিচু খেতে যেত৷ রিঠা কুড়োতেও যেত পবনের টিলায়৷ যেখানে অমাবস্যার রাতে চুল খুলে ন্যাংটো হয়ে দেওরাজের মা পুজা দিয়ে যেত৷ দেওরাজের বক্ষ আবার এক টুকরি ফুলউরি মাথায় নিয়ে বিক্রি করত৷ আবার একটা পাখি ডাকল৷ হে বিবদ্যাবতী? বিদ্যাবতী...

মা সুভদ্র ডেকে ডেকে হয়রান৷

আর বিদ্যাবতী তো তখন বন্দি খেলছিল ডাক দিয়ে দিয়ে—

বংশী আমার গুণের ভাই

নিতাই আমার শালা

ঢিক জ্বালাইয়া তামুক খা

ঢিক জ্বালাইয়া তামুক খা

ওই মা সুভদ্রা একবার কচুশাক তুলতে তুলতে বাজ পড়ে মরে গেল পেটে বাচ্চা নিয়ে৷ জল নেই, ঝড় নেই৷ বাজ পড়ল মায়ের উপর৷ ভাই বলিরাম তখন একদম ছোট৷ ওরা ভাই বোন খুব কাঁদছিল৷ মৃতা মায়ের দিকে ওরা তাকাতে পারছিল না৷ যে মা সকালেও ওদের চা ভাত খাইয়েছিল৷ বলেছিল—এবারে বোনাস পাইলে তোখে বাবুঘরের মতো ভাল ফরক্ কিনে দিব৷ মায়ে কথা মনে হলেই চোখে জল এসে যায় বিদ্যাবতীর৷ চোখ মুছতে মুছতে মনে হল ভাইটাকেও কতদিন দেখে না৷ রঙ মিস্তি্রর জোগালি হয়ে আজ করিমগঞ্জ তো চারদিন ধরে ধর্মনগর কোথায় কোথায় যায়৷ আজকাল তো ঘরে প্রায় আসেই না৷ ওদিকে জাটিঙ্গা নদীটা এক পেট পাথ নিয়ে এখন ধীরে সুস্থে বইছে৷ অথচ এই কিছুদিন আগেই খেপলি৷ খেপলির বোন সুধা, রামু, রামুর বোন, বিকাশ কাকার ছেলে মণ্টু সবাই পাথর উঠা, নামার কাজ করছিল৷ উপরে তখন দু’তিনটে লরিও দঁড়িয়েছিল৷ এমা এমন জোরে জল এল আচমকা সবাইকে ভাসিয়ে নিয়েগেল৷ রো যে ভেসে ভেসে কোথায় গেল৷ আজ অবদি কেউ পাত্তা পেল না৷ খেপলির মা এখনও রোজ রাতে হায় হায় করে কাঁদে৷ আকাশে এখনও রঙ৷ কত রকমের রঙ৷ আনন্দের চেয়ে যেন দুঃখের রঙই বেশি৷ আবার শব্দ করে একঝাঁক পাখি উড়ে গেল৷ ওদের ডানার শব্দে মনটা কেমন যেন হয়ে গেল বিদ্যাবতীর৷ এগুলো বোধহয় জংলি হাঁস৷ সেবায় কামিনিদের বকুল গাছে বাসা বানিয়ে ডিম পেড়েছিল দুটো জংলি হাঁস৷ সাদা সাসা হাঁস কি সুন্দর দেখতে৷ পিঠের কাছে ছিল একটু কালো কালো ছোপ৷ পদ্ম বিলেও আসত৷ একঝাঁক সাদা হাঁস৷ শীতের ঠিক আগে৷ আবার চলেও যেত৷ কোনবার আসতে একটুী দেরি হলে খুব মন খারাপ হত বিদ্যাবতীর৷ বিবকর্ণরও৷ বিকর্ণই তো পদ্মের টনা তুলে আনত৷ কখনও পদ্মফুল৷ পাড়ে বসে ওরা টনা খুলে খুলে খেত৷ তারপর পদ্মটা পাপড়ি খুলে খুলে ফুটাত৷ াার মনসার পূজার সময় তা বিশাল ব্যক্তির ঘরেওরা পদ্ম ফুল নিয়ে দিত৷ পাঁচ পুতলার পূজা হত বিশালের ঘরে৷ ছড়ি দিয়ে দেবতা খেলত বিশাল একটা কাঁচা হলুদ জলে ডোবানো কাপড় পরে৷ ওর ঘরে তখন ঢোলক বাজিয়ে সবাই গান করত৷

লাল ফুল, নীল ফুল

রক্ত ফুলের মালা

কেমনে পুজিব মাগো

চরণ কমলে বলো লাল ফুল

এই বিশালের আবার কামিনীর সঙ্গে একটা সম্পর্ক ছিল৷ প্রায় সময় কামিনীর ঘরেই থাকত৷ এই কামিনী মসি পাতি তুলত৷ মরদ ছেড়ে এসেছিল৷ অনেক বছর একাই থাকত৷ বাপের রেজেস্ট্রি কাজটা পেয়েছিল৷ একবার তলপ শালের বাজারে কি ঝগড়া হয়েছিল বিশালের বউ-এর সঙ্গে কামিনী মাসির৷ বিদ্যাবতী গেছিল তখন মটরভাজা কিনতে৷ ওখানেই না পছন্দ করে বেটার বউ বানিয়ে নিয়ে গেছিল বৈঠাখালে বাগানের সুরেন বাউরির৷ বাপ একটা নকল সিলিকের লাল শাড়ি দিয়েছিল৷ আর কিছু ঝুট গহনা ডলু বাজার থেকে কিনে এনেছিল কামিননী মসি৷ বলেছিল—তোর মাই নাই খে তো কি? হামি তো আছি৷ এই কামিনী মসির উৎসাহে ঝুমুর নাচ হয়েছিল বিহার দিন৷

বিঙ্গারফুল উড়িল বাতাসে গো

হাতে ধরি চুমা খায় তোখে

বিনতিরা করমপূজা করলে ওদের সঙ্গে মাদলের সঙ্গে নেচে নেচে বিদ্যাবতীও যেত৷ আহারে জাগরণের দিন কত যে নাচ হত৷ সারারাত নাচ৷ আকলু বুড়া মাদল বাজাত৷ এমনিতেও প্রায় দিনই বিশেষ করে খাবার সময় আকলু বুড়া মাদল বাজাত৷ কত দিন রাতে ঘুম ভাঙলে শুনত বিদ্যাবতী আকুল বুড়ার মাদল৷ এই মিঠা আওয়াজ শুনতে শুনতে আবার ঘুমিয়ে পড়ত বিদ্যাবতী৷ কারা যেন গগরুদের হেঁট হেঁট করতে করতে খাড়ি দিয়ে নেমে গেল৷ ওই খাড়ির ননীচেই দুজন সুন্দর সুন্দর মেয়েকে কারা ছিঁড়ে ফেড়ে খেয়ে মেরে ফেলে দিয়েছিল—নম্বরের চৌকিদার দেখতে পেয়ে ম্যানেজারকে খবর দিয়েছিল৷ ফুলে উঠেছিল সুন্দরীদের লাশ, কোথাকার ছিল এই সুন্দরীরা এই ভালঘরের মেয়েরা? কেন ভালঘরের ছেলেরা না বদমায়েশরা এখানে ফেলে দিয়ে গেছিল কিছুই জানা হল না৷ ওরও মুখ দেখে শাউড়ি রূপার হাঁসুলি দিয়েছিল৷ বলেছিল—পিন্দ লেইকি কোনদিন বেইচবার নাম মুখে আনবিস নাই৷ এইটা হামার হাউড়ি হামাকে দিয়েছিল৷ বিদ্যাবতী তখন লাল রঙের নকল সিলিকের শাড়িটা পরে নিজের আলতা পরা পা দুখানার দিকে তাকিয়েছিল৷ বড় শখ ছিল পায়ে মল পরার আহারে৷ শাউড়ি বলত—মাথায় উকুন কামরাচ্ছে দে নো লো থোড়া বাইছে৷

জামগাছের গুড়িতে বসে শাউড়ির উকুন বাছত বিদ্যাবতী ঢিল, ছাই, নিখি কত কী৷ চুল থেকে বের করে আনত আর বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের নখে রেখে ডান হাতের বুড়ো আঙুলের নখ দিয়ে পুটুস পুটুস করে ফাটাত৷ শাউড়ি তখন কতরকম গল্প জড়ত ছোটবেলার নাকি কত সাহেব মেম দেখেছিল৷ ওদের দোষ বলে কিছু নেই৷ সব গুণই গুণ৷ ওর নানির সই নাকি কোন সাহেবের রাখেল ছিল৷ সাহেব যাওয়ার সময় ওকে বাংলো জমি সহ সব সম্পত্তি দিয়ে গিছিল৷ তারপর ওই বিলের ধারে কতবার চিরকুন দেখেছে শাউড়ি৷ বিনতির মা মরে ওই মোড়ের তেঁতুল গাছটার বসে আছে৷ আরও কত রকম কথা৷ ওই শাউড়িকেই সবাই ডায়েন বলে মেরে ফেলল৷ অনেক দুঃখ পেয়েছিল বিদ্যাবতী৷ শেষে মরদটাও জ্যাঠাতুতো ভাইয়ের বউকে নিয়ে কোথায় পালিয়ে গেল৷ ধুর৷ ধুর৷ কাকে বলছে বিদ্যাবতী কেজানে৷ আকাশে এখনও রঙে রঙ৷ কত রকমের রঙ আহারে কালো, হলুদ, বেগুনি, কমলা, লাল, সবুজ৷ রঙের কি আর শেষ আছে৷ অফুরন্ত রঙ৷ আকাশ থেকে গলে গলে পড়ছে৷ গাভীন গরুটা হাত ছাড়া হয়ে গেল৷ বাবুভাজিও কোথায় পড়ে গেল৷ বাপ বোধহয় পুঁটি-চিংড়ি ধরে বসে আছে৷ থাক বসে৷ হয়ত বাপ কাশছেও৷ খক৷ খক৷ খক৷ রঙগুলো এখন খাবলা খাবলা তুলে নিয়ে মুখে মাখে, হাতে মাখে বিদ্যাবতী৷ সরা দুনিয়া এখন রঙময়৷ আকাশ, পাহাড় সব রঙে রঙিন হয়ে গেছে৷ শুধু রঙই রঙ৷ এত রঙ৷ এত রঙ আহারে...’

সেই দুখ-সুখের রঙ সাগরে এখন একাকী ডুবতে লাগল বিদ্যাবতী... 

          

Marble Surface

ঈশানের যোগাযোগ

Marble Surface

ঈশান কথার ঠিকানা

BANIPARA

SILCHAR - 788001

ASSAM , INDIA

PHONE : +91 6002483374, 7002482943, 9957196871

EMAIL : ishankotha@gmail.com

Facebook Page : 

https://www.facebook.com/ishankotha

Marble Surface

ঈশান কথায় লেখা পাঠাতে হলে

  1. Whatsapp your Writeup (in Bengali or English) in any of our phone numbers

  2. Email your Article written in MS Word (no pdf file / no image file) in our email id

  3. For Bengali Articles, write with AVRO Software or use any Bengali Unicode Font for Writing in MS Word (No STM software)

  4. You can send the Articles in Bengali or English in Facebook Messenger also to any one the IDs of - Joydeep Bhattacharjee / Krishanu Bhattacharjee / Chinmoy Bhattacharjee /  Page of Ishan Kotha "m.me/ishankotha"

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
Give Us Your Feedback
Rate UsPretty badNot so goodGoodVery goodAwesomeRate Us

© 2020-21 Ishan Kotha. Site Developed by Krishanu's Solutions